মুহাম্মাদ সুয়েব আলী
প্রাচীন শমশেরনগর ডাকঘরে মেয়াদী, সাধারণ হিসাব ও পরিবার সঞ্চয়পত্র, তিনমাস
অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র ও পেনশন সঞ্চয়পত্র কারসাজি করে বন্ধ করে দেয়া
হয়েছে! স্থানীয় জনসাধারণ ভোগান্তি পোহাচ্ছেন, কাঙ্খিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সাধারণ জনগণের কথা!
কী আশ্চর্য! এতো গুরুত্বপূর্ণ ডাকঘরটি কি বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পনা কার্যকর হতে চলেছে? আজকাল তো চিঠিপত্র টেলিগ্রামও নাই, তাহলে অফিস খুলে রেখে লাভ কি?
আসল বিষয় হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী শমশেরনগরকে সব দিক থেকে দূর্বল করে দেয়া হচ্ছে।
এলাকার সচেতন নতুন প্রজন্ম কি মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে? কোনো প্রতিবাদও নেই?
দেশসেরা এয়ারপোর্টটি চালু হবার মুলো ঝুলিয়ে ব্রহ্মপূত্র পার করানো হচ্ছে, ৫৪ বছর ধরে, রেলস্টেশনটি পড়ে আছে কঙ্কালের মতো প্রায় শত বছর ধরে, ট্রাফিকজামে জনচলাচল দূর্বিসহ, উপজেলার লাড্ডু ঝুলছেই।
সবার জান তো নির্বাচনে কোরবান হচ্ছে।
প্যাঁচাল না হয় বাদ দিলাম, ডাকঘরের বিষয়ে ডিসি,ইউএনও, সরকারি কোনো
মন্ত্রণালয়ে নেই তদবির,
নেই স্হানীয় নেতৃত্ব স্হানীয় ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপ,
এভাবে যদি একটি সুনামধন্য এলাকা বৈষম্যের স্বীকার হয়।
পরবর্তী প্রজন্মের অবস্থা হবে কি?
মন্তব্য করুন