জনতার খবর রিপোর্টার
প্রকাশঃ 10-নভেম্বর-2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

দোহারে নামে মিল থাকায় যুবক কারাগারে

 
মোঃ শাহাদাত
সাজাপ্রাপ্ত আসামীর সঙ্গে নাম ও বাবার নামের মিল থাকায় মো. আলমাছ নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে দোহার থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার তাকে গ্রেফতার করে যাচাই বাছাই না করেই বুধবার আদালতে পাঠালে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা যায়, ২০০২ সালে মিরপুর থানায় (মামলা নং-৩২ (১)০২, মেট্রোএসটি ৮০৪/০২) দোহার উপজেলার দক্ষিণ বাহ্রার মো. খলিল আহম্মেদের ছেলে মো. আলমাছের নামে একটি মামলা হয়। সেই মামলায় ২০০৪ সালে ১০ বছরের সাজা হয় আলমাছের। এরপর থেকে সে পলাতক রয়েছে। ঐ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকায় গত মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের সুন্দরীপাড়া থেকে মো. আলমাছ নামে এক নিরপরাধ যুবককে গ্রেফতার করে দোহার থানার মাহমুদপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরির্দশক (এসআই) জুবাইদুল হক। এরপর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত যুবকের বোন নাজমা বেগমের দাবি, আলমাছ কৃষিকাজ ও ইলেকট্রিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। ২০০২ সালে মিরপুর থানার একটি মামলায় তার নাম ও বাবা নাম মিল থাকায় নিরপরাধ ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অথচ কখনো আলমাছ ঢাকা শহরে গিয়ে থাকেনি। আর ২০০২ সালে ওর বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর। তিনি আরো বলেন, ২০১৮ সালেও তার ভাইকে আরেকবার গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তবে মূল আসামীর সাথে মিল না থাকায় তৎকালিন কুসুমহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আমজাদ ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে চর মোহাম্মদপুর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ গৌতম কুমার সরকারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এবারও পুলিশ গ্রেফতার করার পর আমরা তাদের অনেক অনুরোধ করে বলেছিলাম, সাজাপ্রাপ্ত আসামী আর আমার ভাই এক ব্যক্তি নয়। আগের কাগজপত্রও তাদের দেখিয়েছিলাম, কিন্তু পুলিশ কোন কথাই শুনে নাই। তাদের ভুলে কারণে আমার ভাই আজ নিরপরাধ হয়েও কারাগারে। আমরা আমার ভাইয়ের মুক্তি চাই।

নয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ফেরদৌসি বেগম বলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরু ভূইয়া ও গ্রাম পুলিশ ঝন্টু সরকারের তথ্য মতে সাজাপ্রাপ্ত আসামী মো. আলমাছের বসত বাড়িঘর নদী ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়। তারা এখন কোথায় বসবাস করে কেউ জানে না।
এবিষয়ে দোহার থানার উপপরির্দশক (এসআই) ও ঐ মামলার আয়ু জুবাইদুল হক বলেন, আসামী গ্রেফতার করার পর ঐ পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে নিরপরাধ দাবি করা হলে আমি বিষয়টি আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাই। তখন তাদের আদেশে তাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এবিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, সমস্থ প্রমাণ পেয়ে দেখে বুঝে আসামীকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তারপরেও যদি আসামী পক্ষের কোন সন্দেহ থাকে তাহলে তারা আদালতে প্রমান দিয়ে তাকে মুক্ত করে আনুক।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বগুড়ায় পরকীয়ার জেরে স্বামীকে খুন

1

ভোলা-২ আসনে জোটের স্বার্থে জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নি

2

নাসির নগরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দো

3

নোয়াখালীতে ছয়টি আসনে ৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

4

মাদ্রাসা শিক্ষকের বেদম প্রহারে শিক্ষার্থী গুরুত্বর অসুস্থ

5

সাদুল্লাপুর কে. এম পাইলট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অবকাঠা

6

দিনাজপুরে জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা নির্বাচনী জনসভা

7

আগামী ১৩ নভেম্বর ঢাকায় “লকডাউন” কর্মসূচি ঘিরে টেকেরহাটে পুল

8

পিরোজপুরে এক উপজেলা'য় বিএনপি'র আহ্বায়ক কমিটি'র অনুমোদন

9

নাসির নগরে গম চাষে অনাগ্রহী কৃষকদের,খুঁজে নিচ্ছে বিকল্প পথ

10

তারাগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারী নিহত

11

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় কিশো

12

আগৈলঝাড়ায় গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার

13

ধানের শীষের বিজয় মানে এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের বিজয়-

14

রায়গঞ্জে টপসয়েল লুট: চক্রের ৪ সদস্য আটক, অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড

15

কমলগঞ্জে ধলাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

16

দিনাজপুর ৫ আসনে বিএনপি'র মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে বিক্ষোভ স

17

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে বিএনপি নেতা

18

অনেক রক্তের বিনিময়েই কি শিক্ষকদের ৫% অর্জন?

19

ঈশ্বরদীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষি

20