নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে জীর্ণশীর্ণ কাঠের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা। সেই সাঁকোর দুরবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করতে গিয়ে সাঁকো ভেঙে পড়ে উপজেলা নেতৃবৃন্দের কয়েকজন নিচে পড়ে যান। তবে এ ঘটনায় কেউ বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হননি বলে জানা গেছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে নাউতারা এলাকার ভুক্তভোগী মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে ঘটনাটি ঘটে।
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে জীর্ণ-শীর্ণ কাঠের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা। সেই সাঁকোর দুরবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করতে গিয়ে হঠাৎ সাঁকো ভেঙে পড়ে, এতে উপজেলা নেতৃবৃন্দের কয়েকজন নিচে পড়ে যান। তবে এ ঘটনায় কেউ বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হননি বলে জানা গেছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে নাউতারা এলাকার ভুক্তভোগী মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তারসহ উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এলাকার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি ও দুর্ভোগের বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে তারা জীর্ণ কাঠের সাঁকোটির কাছে যান।
পরিদর্শনের একপর্যায়ে নেতৃবৃন্দ সাঁকোর ওপর ওঠার পর হঠাৎ এর একটি অংশ ভেঙে পড়ে যায়। সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার সাঁকোর এক পাশে থাকায় তিনি বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান। অপরদিকে উপজেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা মুজিবুর রহমান, উপজেলা সেক্রেটারি কাজী রোকনুজ্জামান বকুল, উপজেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক কাজী হাবিবুর রহমানসহ আরও কয়েকজন নিচে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে তাদের সহায়তা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে নাউতারার এই জীর্ণ কাঠের সাঁকোটি তাদের চলাচলের অন্যতম ভরসা। সাঁকোটির বিভিন্ন অংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
পরিদর্শনের একপর্যায়ে নেতৃবৃন্দ সাঁকোর ওপর ওঠার পর হঠাৎ এর একটি অংশ ভেঙে পড়ে। সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার সাঁকোর এক পাশে অবস্থান করায় তিনি বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান। অপরদিকে উপজেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা মুজিবুর রহমান, উপজেলা সেক্রেটারি কাজী রোকনুজ্জামান বকুল, উপজেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক কাজী হাবিবুর রহমানসহ আরও কয়েকজন নিচে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে তাদের সহায়তা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে নাউতারার এই জীর্ণ কাঠের সাঁকোটি তাদের চলাচলের অন্যতম ভরসা। সাঁকোটির বিভিন্ন অংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় স্থানীয় বাসিন্দারা সাঁকোটির বেহাল দশা তুলে ধরে দ্রুত একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানান। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপনের কথা জানান। পাশাপাশি এলাকার মানুষের নিরাপদ চলাচল, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ নিরসনে একটি নতুন ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
সভায় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা এবং মানুষের কল্যাণে একটি সুন্দর রাষ্ট্র পরিচালনায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি স্থানীয় মানুষের সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আশ্বাস দেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন ডিমলা উপজেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা মুজিবুর রহমান, উপজেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক কাজী হাবিবুর রহমান এবং উপজেলা সেক্রেটারি কাজী রোকনুজ্জামান বকুল। তারা স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগের কথা শুনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
এদিকে সাঁকো ভেঙে নেতৃবৃন্দ নিচে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় উপস্থিত স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে তারা স্বস্তি প্রকাশ করেন যে, দুর্ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হননি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এর আগে বিভিন্ন সময়ে জনপ্রতিনিধিদের কাছে সাঁকোটির দুরবস্থার কথা জানানো হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে তারা মনে করেন। তাদের দাবি, বর্তমান সংসদ সদস্য সরেজমিনে এসে সাঁকোটির অবস্থা দেখায় তারা আশাবাদী হয়েছেন।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। আজ সংসদ সদস্য নিজে এসে সাঁকোর অবস্থা দেখেছেন। সাঁকো ভেঙে যাওয়ার ঘটনাটি আমাদের জন্যও সতর্কবার্তা। দ্রুত এখানে একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা জরুরি।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং জীর্ণ কাঠের সাঁকোর পরিবর্তে একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের মাধ্যমে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।

