পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালাজ্বর (ভিসেরাল লিশম্যানিয়াসিস) চিকিৎসা কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কেস ম্যানেজমেন্ট এবং রোগীর তথ্য সংরক্ষণ ও রিপোর্টিং ব্যবস্থা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলনকক্ষে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা (সিডিসি) ও ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সহযোগিতায় প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণে চিকিৎসক, নার্স, নার্স, ল্যাব টেকনোলজিস্ট, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, স্বাস্থ্য সহকারী, পরিসংখ্যানবিদ, স্টোরকিপারসহ সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা অংশ নেন।
গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. কামরুল হাসান, সিডিসির ন্যাশনাল কনসালটেন্ট ডা. মো. মঞ্জুরুল করিম চৌধুরী, সহকারী পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. নুর আসাদুজ্জামান এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কনসালটেন্ট ডা. আবু নাইম আখন্দসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
প্রশিক্ষণে কালাজ্বর শনাক্তকরণ, রোগীর কেস ম্যানেজমেন্ট, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা এবং ডিএইচআইএস-২ ট্র্যাকার এর মাধ্যমে রোগীর তথ্য সংরক্ষণ ও রিপোর্টিং বিষয়ে ব্যবহারিক ধারণা দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এখন থেকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালাজ্বর আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন রোগীদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে। রোগীদের বিনা মূল্যে ওষুধও সরবরাহ করা হবে। জটিল রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত রেফারেল সেন্টারে পাঠানো হবে।
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে কালাজ্বরমুক্ত করার লক্ষ্যে রোগ শনাক্তকরণ, চিকিৎসা ও রোগী ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালাজ্বর চিকিৎসা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে


