চট্টগ্রাম বন্দরে বসুন্ধরা মাল্টি স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে প্রায় ৫০ কোটি টাকার স্টোর রেন্ট ফাঁকি দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জাল চিঠি বানিয়ে জমা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব নজরুল ইসলামের নাম ও স্বাক্ষর জালিয়াতি করে বন্দর কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি দেয়, যেখানে স্টোর রেন্ট মওকুফের সরকারের অনুমতি থাকার কথা দাবি করা হয়।
বন্দরের কর্মকর্তারা সন্দেহে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানা যায়, মন্ত্রণালয় ওই চিঠি ইস্যু করেনি এবং চিঠিটি জালিয়াতিপূর্ণ। এর ফলে বন্দর কর্তৃপক্ষ ওই ফাঁকির চেষ্টা ব্যর্থ করে।
বসুন্ধরা মাল্টি স্টিল গত ২০২৪ সালের জুন থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত আমদানি করা ৯৫টি ৪০ ফুট ও ১৪টি ২০ ফুট কনটেইনার যথাসময়ে খালাস না করায় বিপুল স্টোর রেন্ট বকেয়া পড়ে। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের একটি পত্রের নাম ধরে স্টোর রেন্ট মওকুফের আবেদন করেছিল, যা বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রত্যাখ্যান করেছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের তৎপরতায় জালিয়াতির মূল হোতা ও সহযোগীকে আটক করা হয় এবং এ ঘটনায় প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক আসামিরা ঢাকায় বিমানে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। বন্দর কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে ভবিষ্যতে এমন জালিয়াতি ও প্রতারণায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করার প্রস্তাব আছে
মন্তব্য করুন