চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় সরকারি বাওড় ও ব্যাক্তিমালিকানা জমি হতে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করার ফলে সড়ক ও ফসলি জমি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। প্রশাসনের নিরবতায় জনমতে প্রশ্নের জন্ম নিয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা উপজেলায় উথলি ইউনিয়নের সন্তোষপুর মোড়ে একতারপুর বাওড়ের পাশে একটি পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে।
প্রকল্পটির জন্য একটা টেন্ডার দেওয়া হয়েছে যার কাজ চলমান।
পার্ক নির্মাণের জন্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বালু ভরাটের জন্য ড্রেজার মেশিন বসিয়ে সরাসরি একতারপুর বাওড় হতে বালু উত্তোলন করছে।
ঘটনাস্থলে পাশে রয়েছে ব্যস্ততম সড়ক ও বিদ্যুৎ পোল তৈরির কারখানা। সেখানে প্রতিদিন ভারি ট্রাক চলাচল করে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছে,এধরণের বালু উত্তোলন কাজ চলমান থাকলে।ভয়াবহ ভূমি ধ্বসের সম্ভবনা রয়েছে।
বালু উত্তোলন সম্পর্কে শ্রমিকদের নিকট জানতে চাইলে তারা কোন মন্তব্য করেন নি।
এমন চিত্র দেখা গেছে জীবননগর রায়পুর ইউনিয়নের পুরাতন চাকলা গ্রামে। সেখানে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতা নজরুল পুকুর ক্ষননের নামে বালি উত্তোলন করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এবারও নাকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ( ইউএনও) অনুমতি নিয়ে বালি উত্তোলন করছেন।
এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলার নির্বাহীকর্মকর্তা ( ইউএনও) মো: আল আমিন সাথে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার মন্তব্য জানা যাইনি।
তবে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান,জীবননগর উপজেলায় কোথাও বালু বা মাটি কাটার কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি।এমন কোন কাজ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন