চুয়াডাঙ্গা পৌর ডিগ্রি কলেজের পরিচালনা পর্ষদ গত২২/০৪/২০২৫ খ্রি. মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পরেও তাদের কার্যক্রম কিভাবে পরিচালিত হচ্ছে তা জনমতে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
গত ১২/০২/২০২৫ পূর্ণাঙ্গ অধ্যক্ষ মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পরে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধান অনুযায়ী অধিভুক্ত বিষয় হতে জৈষ্ঠ্যতম (০৫) শিক্ষকদের মধ্যে যিনি জৈষ্ঠ্য তাকে দায়িত্ব দেওয়া বিধান আছে।
কিন্তুু নিযমের বেড়াজাল তোয়াক্কা না করে। অধিভুক্ত বিষয়ে শিক্ষক কে দায়িত্ব না দিয়ে। পদার্থ বিজ্ঞানের জৈষ্ঠ্য প্রভাষক যার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিধান অনুযায়ী কোন সুযোগ না থাকায় ফলেও তাকে গড়িমসি করে চুয়াডাঙ্গা পৌর ডিগ্রি কলেজের পরিচালনা পর্ষদ দায়িত্ব দিয়ে দেন।
পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকট অনুমতি আবেদন করা হলে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধান বহিঃভূর্ত হওয়ায় তাকে অবৈধ ঘোষণা করেন।
গত ২২/০৪/২০২৫ খ্রি. পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ না থাকায় চুয়াডাঙ্গা পৌর ডিগ্রি কলেজের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থগিত।এমতাবস্থায়, কমিটি না থাকায় কিভাবে কলেজের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তা জনমতে প্রশ্ন জেগেছে।
গত ১১/০৩/২০২৫ খ্রি. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শামীমা সুলতানা কে অবৈধ ঘোষণা করে চিঠি দেই। তারপর একজন জুনিয়র প্রভাষক আয়েশা আক্তার রিক্তা কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সেটাও অবৈধ ঘোষণা করেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অবৈধ ঘোষণা করার পরেও শামীমা সুলতানা কিভাবে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছে। তা নিয়ে জেলার বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন চলছে।
চুয়াডাঙ্গা বাসির মতে, সঠিক নিয়ম মেনে যোগ্য ব্যাক্তিকে দায়িত্ব দেওয়ার আহবান করেন।
মন্তব্য করুন