সাতক্ষীরা জেলার অন্তর্গত আশাশুনি থানাধীন খাজরা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড গদাইপুর কাছারি বাড়ি নামক স্থানে সোমবার (১৯ ই মে) সময় অনু: বিকাল ৫.০০ ঘটিকায় ব্যাপক মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। গদাইপুর গ্রামের সাদউদ্দিন সরদারের পুত্র আব্দুস সালাম জানান আমি বিকালে আমাদের বাড়ির সামনে রাস্তায় ফারুকের চায়ের দোকানে বসে আছি তো আমাদের একই গ্রামের হাফিজুল ও লতিফ আমাকে ফোন করে বলে যে কাছারি বাড়ি এখানে চলে আসো বিএনপি'র ফরমে সই করতে হবে, আমি বলি আমার খুব জ্বর , তাদের বারবার রিকোয়েস্টের পরে আমি সেখানে যাই গিয়ে ফারুকের চায়ের দোকানে বসি কিছু সময় পর ওই একই গ্রামে এনামুল হাজীর পুত্র রাব্বী, রেজাউল খা পুত্র ইমরান ও নুর ইসলাম সরদারের পুত্র মোস্তফা, আইয়ুব আলী পুত্র সুজন, আরাফাত সহ আর অনেকই পেছন থেকে লোহার রড জিআই পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আমার বাম হাত ভেঙে দেয়, আমি জীবন বাঁচানোর জন্য ফারুকের দোকানের ভেতরে ঢুকে পড়ি, তারা দোকানের ভেতরে ঢুকে ব্যাপক মারপিট করেছে, মোস্তফা খা পুত্র মুদি দোকানদার ফারুক বলেন আমি দোকানে কেনাবেচা করছিলাম হঠাৎ করে রাব্বী ,মোস্তফা ,ইমরান, সুজন, আরাফাত সহ আরো অনেকেই লাঠি সোটা নিয়ে সালামকে ব্যাপক মারপিট শুরু করে সে জীবন বাঁচানোর জন্য আমার দোকানে ঢুকে পড়ে তারা দোকানের ভিতরে এসেও তাকে ব্যাপক মারপিট করে, আমি এবং আমার আব্বা আমার ভাই দ্রুত দোকানের ভিতরে ঢুকে তাদেরকে টেনে টেনে বাইরে বের করে দোকানের শাটার লাগিয়ে দেই কিছু সময় পরে আশাশুনি থানার এস আই অনাথ মিত্র এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়, আমার দোকানের ওজন মিটারসহ বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে,ওই একই গ্রামের তমেজউদ্দিনের পুত্র অহিদুল ইসলাম বলেন আমি ওই দোকানে বসে ছিলাম হঠাৎ দেখি সালামের ওরা ব্যাপক মারপিট করছে তো আমি তাকে ঠেকানোর জন্য গিয়েছিলাম আমারও তিনটি বাড়ি লেগেছে, সাদউদ্দিনের পুত্র অয়েজকুরনী বলেন আমি দেখি আমার ভাই সালাম কে রাব্বী ইমরান মোস্তফা সুজন আরাফাত সহ আরো অনেক ই লোহার রোড দিয়ে ব্যাপক মারপিট করছে আমি ঠেকাতে গিয়েছিলাম আমার এই হাতে কনিষ্ঠ আঙ্গুল ফেটে যায়।এ বিষয়ে বিরোধী পক্ষের রাব্বীর সাথে কথা বললে তিনি জানান এই সালাম পূর্বে আওয়ামীপন্থী চেয়ারম্যান ডালিমের লোক ছিল তার জন্য এই এলাকার বহু মানুষের বাড়িঘর ভাঙচুর হয়েছে। আমিও আমার পরিবার তার দ্বারাই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জনগণ তাকে প্রতিহত করেছে, এ বিষয়ে আশাশুনি থানার এস আই অনাথ মিত্রের সাথে কথা হলে তিনি জানান খবর পেয়ে ঘটনাস্থল এসে আবদুস সালামকে উদ্ধার করে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল হাসপাতাল পাঠিয়েছি, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিল।
মন্তব্য করুন