রবিবার (২৬ এপ্রিল) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হঠাৎ শুরু হয় কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডব। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে ঝড়ের তাণ্ডব। পরে কিছুটা কমলেও দফায় দফায় বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকে, যা মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দেয়।
সরেজমিনে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রচণ্ড ঝোড়ো হাওয়ায় রাস্তায় গাছপালা পড়ে বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামীণ যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়াও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙ্গে গিয়ে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। কোথাও আবার খুঁটি ভেঙ্গে যাওয়ার পাশাপাশি গাছের ডাল ভেঙ্গে বৈদ্যুতিক তারও ছিঁড়ে গেছে, যার ফলে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
এদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে ব্যস্ত বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা। ফসলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছে কৃষি অফিস। সারা দিন জুড়ে থেমে বৃষ্টি ও আকাশ অন্ধকার মেঘাচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, হঠাৎ এমন তীব্র ঝড়ের কারণে কোনো ধরনের পূর্বপ্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পাননি তারা। অনেকেই পুরো সময় ঘরের ভেতরে আতঙ্কে অবস্থান করেন। এদিকে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে স্থানীয় প্রশাসন।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা দেওয়া হবে।


