কিশোরগঞ্জে পৃথকস্থানে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন ৪ জন। রবিবার বিকেল ৩ টার দিকে ভৈরব, কুলিয়ারচর ও করিমগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা হলেন ভৈরব উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আফছার উদ্দিন মিয়ার ছেলে ফারুক মিয়া (৬৫), শ্রীনগর গ্রামের ইউনুস মিয়ার ছেলে ফয়সাল মিয়া (২৮) কুলিয়ারচর উপজেলার হাজারিনগর গ্রামের সফিকুল ইসলাম সফু মিয়ার ছেলে কবির মিয়া (২৫)। এবং করিমগঞ্জ উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের সাগুলি গ্রামের মাজু মিয়ার ছেলে হাদিস মিয়া (৩২)।
স্থানীয়রা জানান, আগে থেকেই জমিতে কাজ করছিলেন ওই তিন কৃষক। বিকেল ৩ টার দিকে হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বজ্রপাতে আক্রান্ত হয়ে তিনজনই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. উম্মে হাবিবা জুঁই জানান, বজ্রপাতে আক্রান্ত তিনজন রোগীকে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়।
অপরদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৩ টার দিকে বাড়ির পেছনের বেড়া ঠিক করতেছিলেন হাদিস মিয়া। হালকা বৃষ্টি উপেক্ষা করে কাজটি শেষ করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু হটাৎ বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। পেশায় হাদিস মিয়া একজন কৃষক ছিলেন।
সুতারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফজলুর রহমান জানান, নিহত হাদিস মিয়া আমার ভাতিজী-জামাই। সে খুবই কর্মঠ মানুষ ছিলো। সংসার জীবনে তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের জনক তিনি।
করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মাহবুব মুর্শেদ বজ্রপাতে নিহতের ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন