দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার সীমান্তঘেঁষা খট্রামাধবপাড়া ইউনিয়নের সাতকুড়ী গ্রামে জিরার সফল চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কৃষক মো.হামিদুর রহমান। সচরাচর আমাদের দেশে জিরার চাষ না হলেও, অনলাইনের মাধ্যমে বীজ সংগ্রহ করে প্রথমবারের মতো চাষ করেই তিনি বাম্পার ফলন পেয়েছেন।
কৃষক হামিদুর রহমান জানান, তিনি কৌতূহলবশত অনলাইনের মাধ্যমে জিরার বীজ সংগ্রহ করেন। মাত্র ২ শতাংশ জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে এই বীজ বপন করেন তিনি। কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও সঠিক পরিচর্যায় তার জমিতে প্রায় সাড়ে তিন কেজি জিরা উৎপাদিত হয়েছে। হামিদুর বলেন, বাজারে বিক্রি হওয়া জিরার তুলনায় আমার উৎপাদিত জিরার সুগন্ধও অনেক ভালো। এতে আমি আরও উৎসাহ পেয়েছি, সামনে পরিমাণে বেশি জমিতে চাষ করব।
স্থানীয় কৃষক একরামুল হোসেন বলেন, আমাদের এলাকায় এই প্রথম জিরা চাষ দেখলাম। আমাদের মাটিতে এভাবে জিরা চাষ সম্ভব, এটা ভাবতেই পারিনি। আমি নিজেও আগামীতে জমিতে জিরা চাষ করব। খরচ তুলনামূলক কম, আবার ফলন পেতেও সময় কম লাগে এটা আমাদের জন্য লাভজনক হতে পারে। স্থানীয় আরো এক কৃষক বলেন, “প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইন থেকে বীজ সংগ্রহ করে নতুন ফসল উৎপাদনে হামিদুর রহমানের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তার এই সাফল্য দেখে সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলের অন্য কৃষকরাও এখন জিরা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।”
হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা.আরজেনা বেগম বলেন, “ভবিষ্যতে কৃষকদের জিরা চাষের জন্য আরো বেশি উতসাহ প্রদান করা হবে।”


