কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই ওয়াকিটকি এবং প্রাইভেট কার ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কামরুল আলমের।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি সফিকুল ইসলাম খান।
তবে, ওসির দাবি— কামরুলের ওয়াকিটকি গত রাত থেকে পাওয়া যাচ্ছিল না। এজন্য থানায় একটি হারানো জিডি করা হয়েছে।
জানা গেছে, এসআই কামরুল আলম ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে ইনচার্জ হিসেবে যোগদানের পর থেকে চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।
তাকে চাঁদা দিলেই চলে পাথরবাহি গাড়ি। চাঁদা না দিলে গাড়ি ধরে ফাঁড়িতে আটকে রাখেন। পরে মোটা অংকের চাঁদা নিয়ে ছাড়েন। মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েও চাঁদা নেন।
তার কথামতো চাঁদা না দিলে সন্ত্রাসী কায়দায় বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও মারধর করেন বলেও অভিযোগ ওঠেছে।
এসআই কামরুলের এসব চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দুই-একজন প্রকাশ্যে অভিযোগ করলেও হয়রানির ভয়ে মুখ খুলতে চান না কেউ। তার বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, সে প্রশ্নও তুলছেন অনেকে।


