শুক্রবার,১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নবাবগঞ্জে তীব্র গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। বিশেষ কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে  খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। অনেকে আখের রস, লেবুর পানি ও শরবত খেয়ে তৃষ্ণা নিবারণ করছেন। দুপুর ১২টার পর থেকে বিকেল পর্যন্ত ফাঁকা থাকছে নবাবগঞ্জের বিভিন্ন  রাস্তাঘাট। দাবদাহ আর গরমে চাহিদা বেড়েছে দই, ঘোল, শরবত ও তালের শাঁসের।
উপজেলার বিনোদনগর ইউনিয়নের কৃষিশ্রমিক বলেন, ‘দাবদাহের কারণে মাঠে কাজ করতে গিয়ে হাঁপিয়ে উঠছি। তীব্র দাবদাহে জন্য খেতখামারে বেশিক্ষণ টিকে থাকা যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন নারী কৃষিশ্রমিক রাস্তার কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দাবদাহের জন্য।’
মাহমুদপুর ইউনিয়নের এক রিকশাচালক , “কয়েক দিন ধরে ভ্যাপসা গরমে রাস্তায় লোকজন পাওয়া যাচ্ছে না। সকালে রিকশা নিয়ে বের হলেও যাত্রীর অভাবে তেমন আয়-রোজগার হয়নি। রাস্তা থাকছে ফাঁকা। আয় না হওয়ায় অনেকে বিকেলে রিকশা বের করছেন।”
মাইক্রোবাসের চালক  মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “গরম আর দাবদাহের জন্য ভাড়া কম হচ্ছে।”
দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, তিন দিন ধরে দিনাজপুর জেলার তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৭ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। আজ মংগলবার (০২ জুন) দুপুর ১২টায় জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ৪৯ শতাংশ।
আবহাওয়া অফিস আরো জানান , বর্তমানে জেলাজুড়ে মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকলেও  জুনের ৪ তারিখের পর বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত) ডা. মো. সোলাইমান হোসেন মেহেদী বলেন, “বর্তমানে মাঝারি তাপপ্রবাহের জন্য মানুষ সর্দি-জ্বর, গলাব্যথা, ডায়রিয়া, স্ট্রোকসহ গরমজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে এ সময় রোদ ও গরম এড়িয়ে চলতে হবে, বেশি বেশি পানি পান করতে হবে।”

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

জয়পুরহাটের পাঁচবিবির পিয়ারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের পিয়ারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং