দুই মাস পর প্রথমবারের মতো অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রপ্তানি শুরু করেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং উত্তেজনা নিরসনের লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত চুক্তিতে পৌঁছানোর পরই এই রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সামুদ্রিক গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ট্যাঙ্কারট্র্যাকার্স জানিয়েছে, স্যাটেলাইট চিত্র ও জাহাজের গতিপথ বিশ্লেষণ করে তারা নিশ্চিত হয়েছে যে, ইরানের জাতীয় তেলবাহী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাঙ্কার কোম্পানির (এনআইটিসি) অন্তত দুটি সুপারট্যাঙ্কার মার্কিন নৌ অবরোধ অতিক্রম করেছে। এসব জাহাজে মোট ৩৮ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বহন করা হচ্ছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যৌথভাবে একটি কাঠামোগত সমঝোতার ঘোষণা দেয়, যার লক্ষ্য ছিল ইরানি বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার দাবি করেন, এই চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে পরে তিনি অবস্থান কিছুটা পরিবর্তন করে জানান, আগামী শুক্রবার জেনেভায় আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত করা হবে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হয়। ফলে এই জলপথ পুনরায় চালু হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


