শুক্রবার,১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কলাপাড়ায় লামিয়া হত্যা

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী কিশোরী লামিয়াকে ধর্ষণের পর গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করার ঘটনায় মামলার চার্জশিট থেকে আসামিদের বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের মা হালিমা বেগম।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় কলাপাড়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরাম কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে হালিমা বেগম জানান, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি রোগী দেখতে বাড়ির বাইরে যান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর বাড়ি ফেরার পথে তিনি দেখতে পান তাইফুর ইসলাম সোহেল, সুজন ও হাসান নামের তিনজন দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। পরে বাড়িতে গিয়ে তিনি তার মেয়ে লামিয়াকে গাছের সাথে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল রিপোর্টে নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন, বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ের দাগ এবং গোপনাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরণের বিষয় উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে ২৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ময়নাতদন্ত রিপোর্টে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে জয়নাল মৃধাকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনজন আসামিকে চার্জশিট থেকে বাদ দেন।
হালিমা বেগমের অভিযোগ, প্রায় ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে ওই তিন আসামিকে মামলার চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

জয়পুরহাটের পাঁচবিবির পিয়ারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের পিয়ারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং