সাতক্ষীরার সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা থেকে কর্মসংস্থানের সংকট, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পরিবেশগত নানা চ্যালেঞ্জের কারণে মানুষ ক্রমেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্থানান্তরিত হচ্ছে। এই বাস্তবতায় উপকূলীয় মানুষের জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তায় নতুন উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে।
উদ্ভাবনী ও সমাজসচেতন প্রকল্পের মধ্য থেকে এলজির অভিজ্ঞ বিচারকমণ্ডলীর মূল্যায়নের মাধ্যমে “উপকূল অঞ্চলের নিরাপত্তা” প্রকল্পের জন্য ২০২৬ সালের LG Ambassador হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরার সন্তান হাবিবুল্লাহ আল মামুন।
এলজি বাংলাদেশ (LG Bangladesh)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জেরাল্ড চুন এই পুরষ্কার তুলে দেন।
এ বছর সারাদেশ থেকে জমা পড়া প্রায় তেরো শতাধিক প্রকল্পের মধ্য থেকে মাত্র ৫ জনকে LG Ambassador 2026 হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
“উপকূল অঞ্চলের নিরাপত্তা” প্রকল্পের আওতায় অসহায় ও দরিদ্র ৮টি পরিবারকে মোটরভ্যান প্রদান করা হবে। এর মাধ্যমে পরিবারগুলো নিয়মিত আয়ের সুযোগ পাবে। পাশাপাশি পারিবারিক ভরণপোষণ, সন্তানদের পড়াশোনা, চিকিৎসা ও দৈনন্দিন জীবিকা নির্বাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই উদ্যোগ।
হাবিবুল্লাহ আল মামুন এর আগেও উপকূলীয় মানুষের জন্য বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছেন।
২০২১ সালে “বাঘ বিধবা স্বাবলম্বী” প্রকল্প ও ২০২৫ সালে “LG উপকূলীয় শিক্ষা সহায়তা” প্রকল্পে নির্বাচিত হন।
এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে উপকূলীয় পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হয়েছে এবং শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ও সহজে বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সুযোগ পেয়েছে।
হাবিবুল্লাহ আল মামুন জানান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তার পাশাপাশি উপকূলীয় মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, জীবিকা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। এই প্রকল্প মানুষের টেকসই উন্নয়ন সহায়ক হবে বলে মনে করি।


