দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বিভিন্ন হাট-বাজারে পানির চেয়ে কম দামে মিলছে আলু।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) দলারদর্গা বাজারে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নতুন প্রতি কেজি আলু ৪- ৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৫০০ টাকায়। হিমাগারে রাখা পুরানো আলু বিক্রি হচ্ছে কেজিতে মাত্র ২ থেকে ৩ টাকায়। আগাম আলুর চাহিদা কম থাকায় সেটিও বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ১০ টাকায় কেজিতে। এতে কৃষক ও হিমাগার মালিকরা ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন।গত মৌসুমে আলুতে ব্যাপক লোকসানের পর এবার আগাম আলু চাষে আশায় বুক বেঁধেছিল চাষিরা। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। আলু চাষিরা জানান,১ বিঘা জমিতে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু এত টাকা উঠবে না। ব্যবসায়ীরা জমিতে আসে না, কৃষকরা নিজেরাই আলু তুলে হাট- বাজারে আনে কিন্তু পছন্দ মতো দাম পান না। এদিকে আবার ক্রেতাদের ১৫-২০ টাকা কেজি দরে আলু কিনতে হচ্ছে।
কৃষকরা হিমাগার থেকে আলু বের না করায় মালিকরা বাধ্য হয়ে ৩ থেকে ৪ টাকায় বিক্রি করছেন।
রংপুরের এক আলু হিমাগার ম্যানেজার বলেন, ৩ থেকে ৪ টাকায় আলু বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে হিমাগার মালিক যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি কৃষক ও গ্রাহকরাও শতভাগ ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
কৃষি বিপণন অধিদফতর বলছে, চাহিদার থেকে উৎপাদন বেশি হওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষিদের। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস বলেন, বাজারে প্রচুর পরিমাণ পুরানো আলু রয়েছে, সঙ্গে নতুন আলু যোগ হয়েছে। এতে সরবরাহ বেশি হওয়ায় দাম কমেছে এবং আলু চাষি যেন ন্যায্যমূল্য পায় সেদিকে আমরা লক্ষ্য রাখছি।


