জমি খাস হিসেবে চিহ্নিতকরণ নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। এ ঘটনায় কামরুজ্জামান মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত মালিক ও সংশ্লিষ্টদের যথাযথভাবে অবহিত না করেই লাল নিশানা ও সাইনবোর্ড টানানো হয়, যা এলাকায় ক্ষোভ ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।
শুধু তাই নয়, সরকারি ১ নং খতিয়ান, ১/১ খতিয়ান ও ‘ক’ তফসিলভুক্ত জমি ব্যক্তিগত নামে নামজারির অভিযোগও উঠেছে। পাশাপাশি সেবাপ্রত্যাশীদের সঙ্গে অমার্জিত আচরণ, হয়রানি এবং একটি বিশেষ পক্ষকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত। ফলে ভূমি প্রশাসনের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনের প্রতি জনআস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বার্থে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।