কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানা পুলিশ পৃথক অভিযানে চুরির মালামাল উদ্ধারসহ চোরচক্রের ৩ সদস্য এবং বিভিন্ন মামলার এজাহারনামীয় ও পরোয়ানাভুক্ত ৩ জন পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশের এই তৎপরতায় স্থানীয় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
গত ২ জুন দিবাগত রাতে ঈদগাঁও ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জাগিরপাড়ার বাসিন্দা খালেদ হোসাইনের বসতঘর থেকে আরএফএল কোম্পানির একটি পানি তোলার মোটর ও বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত ৬ জুন ভোরে স্থানীয় লোকজন সন্দেহভাজন দুই যুবককে ৮০ গজ বৈদ্যুতিক তারসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
আটককৃতরা হলো—মো. জাহেদুল ইসলাম সিফাত (১৯) এবং মো. আরাফাত (২৪)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা চুরির কথা স্বীকার করে এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বিকেলে মো. ফারুক (৪৫) নামক এক ব্যক্তির ভাঙারি দোকানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে চুরি হওয়া মোটর, আগুন নির্বাপক যন্ত্র, লোহার রড ও তামার তারসহ বিপুল পরিমাণ চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় চোরাই মালামাল ক্রয়কারী মো. ফারুককেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
আরএফএল কোম্পানির একটি মোটর। পুরাতন কালো রঙের ৮০ গজ বৈদ্যুতিক তার। একটি আগুন নির্বাপক যন্ত্র। ৬ কেজি লোহার রড, ৪ গজ স্টিলের ক্যাবল এবং ২ কেজি তামার তার।
একই সময় বিশেষ অভিযানে পুলিশ বিভিন্ন মামলায় পলাতক ৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে: ১. মো. হোসাইন সোহেল রানা (৩৭): ঈদগাঁও থানার শিশু নির্যাতন দমন আইন ও পেনাল কোড মামলার এজাহারনামীয় আসামি। ২. মো. বাবুল: সিআর মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি। ৩. বেলাল উদ্দিন: কক্সবাজার সদর থানার অস্ত্র মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি।
ঈদগাঁও থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
থানা এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং চুরি-ছিনতাইসহ সকল ধরনের অপরাধ দমনে ঈদগাঁও থানা পুলিশ সর্বদা বদ্ধপরিকর। ভবিষ্যতে সম্পত্তি সংক্রান্ত অপরাধী ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।


