শুক্রবার,১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জামালপুরে দুইজনকে মৃত্যুদন্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন ও একজনকে খালাস দিয়েছে আদালত

জামালপুরে হত্যা মামলায় দুইজনকে মৃত্যদন্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন ও একজনকে খালাস দিয়েছে আদালত। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ এর বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন এ আদেশ দেয়। মৃত্যদন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে মো: মোতালেব হোসেন, মৃত আইন উদ্দিন ফকিরের আরেক ছেলে মো: রশিদ জামাল। যাবজ্জীবন কারাদন্ড পাপ্ত আসামীরা হলেন, আইন উদ্দিন ফকিরের ছেলে আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া ও আব্দুল হামেদ। এবং একই উপজেলার আসাদ জামালের ছেলে খোরশেদ আলমকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার রাষ্টপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত (পিপি) অ্যাডভোকেট মো: দিদারুল ইসলাম দিদার জানান, ২০০৭ সালের ২২ মে মঙ্গলবার রাত ৭টার দিকে মোতালেব হোসেন, রশিদ জামাল, আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া, আব্দুল হামেদসহ আরো ৩ থেকে ৪ জন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সবুজপুর এলাকায় আক্তার হোসেন আবেদীনের বাসায় গিয়ে আবেদীনের খোজ করে। আবেদীন বাসায় না থাকায় তার স্ত্রীকে বলে, আবেদীন বাসায় আসলে তাদের সাথে দেখা করতে গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে। পরে রাত ৮টার দিকে আবেদীন বাসায় আসলের পর তার স্ত্রী তাকে বলে যে মোতালেব হোসেন, রশিদ জামাল, আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া, আব্দুল হামেদসহ আরো কয়েকজন তোমাকে তাদের সাথে দেখা করতে বলছে। আবেদীন রাতের খাওয়া-দাওয়া শেষ করে ওই দিন রাতের তাদের সাথে দেখা করতে বাসা থেকে বের হয়। এবং ওই এলাকার সবুজপুর দাখিল মাদ্রাসার মাঠের পাশে মোতালেবদের সাথে আবেদীনের দেখা হয়। সেই সময়ই মোতালেরে হুকুমে অন্যরা তাদের হাতে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে আবাদীনের  পেটের বাম পাশে আঘাত করে পিঠ পর্যন্ত ছিদ্র করে ফেলে। পরে আবেদীনের চিৎকার শুরে তার স্ত্রী ছালেহা বেগম ও মেয়ে কনিকা বেগমসহ কয়েকজন তাকে দেওয়ানঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। ঘটনার পরদিন আবেদীনের ছেলে মো: সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় মামলা করে। মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও আসামীদের জবানবন্দী গ্রহণ শেষে আদালত আজ মাতালেব হোসেন, রশিদ জামালকে মৃত্যুদন্ড ও আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া, আব্দুল হামেদকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং খোরশেদ আলমকে খালাস দেয়।

জামালপুরে হত্যা মামলায় দুইজনকে মৃত্যদন্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন ও একজনকে খালাস দিয়েছে আদালত। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ এর বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন এ আদেশ দেয়। মৃত্যদন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে মো: মোতালেব হোসেন, মৃত আইন উদ্দিন ফকিরের আরেক ছেলে মো: রশিদ জামাল। যাবজ্জীবন কারাদন্ড পাপ্ত আসামীরা হলেন, আইন উদ্দিন ফকিরের ছেলে আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া ও আব্দুল হামেদ। এবং একই উপজেলার আসাদ জামালের ছেলে খোরশেদ আলমকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার রাষ্টপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত (পিপি) অ্যাডভোকেট মো: দিদারুল ইসলাম দিদার জানান, ২০০৭ সালের ২২ মে মঙ্গলবার রাত ৭টার দিকে মোতালেব হোসেন, রশিদ জামাল, আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া, আব্দুল হামেদসহ আরো ৩ থেকে ৪ জন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সবুজপুর এলাকায় আক্তার হোসেন আবেদীনের বাসায় গিয়ে আবেদীনের খোজ করে। আবেদীন বাসায় না থাকায় তার স্ত্রীকে বলে, আবেদীন বাসায় আসলে তাদের সাথে দেখা করতে গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে। পরে রাত ৮টার দিকে আবেদীন বাসায় আসলের পর তার স্ত্রী তাকে বলে যে মোতালেব হোসেন, রশিদ জামাল, আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া, আব্দুল হামেদসহ আরো কয়েকজন তোমাকে তাদের সাথে দেখা করতে বলছে। আবেদীন রাতের খাওয়া-দাওয়া শেষ করে ওই দিন রাতের তাদের সাথে দেখা করতে বাসা থেকে বের হয়। এবং ওই এলাকার সবুজপুর দাখিল মাদ্রাসার মাঠের পাশে মোতালেবদের সাথে আবেদীনের দেখা হয়। সেই সময়ই মোতালেরে হুকুমে অন্যরা তাদের হাতে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে আবাদীনের  পেটের বাম পাশে আঘাত করে পিঠ পর্যন্ত ছিদ্র করে ফেলে। পরে আবেদীনের চিৎকার শুরে তার স্ত্রী ছালেহা বেগম ও মেয়ে কনিকা বেগমসহ কয়েকজন তাকে দেওয়ানঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। ঘটনার পরদিন আবেদীনের ছেলে মো: সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় মামলা করে। মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও আসামীদের জবানবন্দী গ্রহণ শেষে আদালত আজ মাতালেব হোসেন, রশিদ জামালকে মৃত্যুদন্ড ও আব্দুল লতিফ, সুরুজ মিয়া, আব্দুল হামেদকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং খোরশেদ আলমকে খালাস দেয়।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

জয়পুরহাটের পাঁচবিবির পিয়ারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের পিয়ারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং