শুক্রবার,১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাবুখালীর ইতিহাস-ঐতিহ্য অনুসন্ধানে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের প্রতিনিধি দল

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের হারানো ইতিহাস ও প্রাচীন ঐতিহ্য অনুসন্ধানে মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করেছে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। সম্প্রতি তারা বাবুখালীর বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় সুধীজনের সাথে মতবিনিময় করেন।পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলটি স্থানীয় তরুণ সাংবাদিক আলামিনের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় বাবুখালী কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল ও বিশিষ্ট গবেষক সৈয়দ রবিউল আলম প্রতিনিধি দলের হাতে তাঁর রচিত ‘বাবুখালীর ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ গ্রন্থটি তুলে দেন। ঐতিহাসিক তথ্যসমৃদ্ধ এই বইটি পেয়ে প্রত্নতত্ত্ব কর্মকর্তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং জানান যে, এটি তাদের চলমান গবেষণায় অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।প্রতিনিধি দলটি বাবুখালী আফতাব উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথেও কথা বলেন। কর্মকর্তারা বাবুখালীর ঐতিহাসিক নীলকুঠি সম্পর্কে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা সৈয়দ রবিউল আলমের সংগৃহীত ইতিহাসের আলোকে অত্যন্ত নির্ভুল ও প্রাসঙ্গিক উত্তর দেয়। শিক্ষার্থীদের এই সচেতনতা ও ঐতিহাসিক জ্ঞান উপস্থিত কর্মকর্তাদের মুগ্ধ করে।অনুসন্ধান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এদিন ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন আমলে ব্যবহৃত দুর্লভ তামা ও পিতলের বিভিন্ন মূল্যবান পাত্র প্রদর্শন করা হয়। এই প্রাচীন নিদর্শনগুলো উপস্থিত সবার নজর কাড়ে এবং অঞ্চলের সমৃদ্ধ ইতিহাসের সাক্ষ্য দেয়।প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্বশুরবাড়ির কুঠিবাড়ির ইনচার্জ এবং ৪৫তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার) সুপারিশপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরাফাত শাহীন ও বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদের ইনচার্জসহ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাবুখালীর প্রাচীন ইতিহাস-ঐতিহ্য জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি পাবে এবং অঞ্চলের গৌরবময় অতীত সংরক্ষণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

জয়পুরহাটের পাঁচবিবির পিয়ারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের পিয়ারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং