৫ ই আগষ্ট মহা জনস্রোত আমি তৈরী করেছি গাজীপুর থেকে

একটা চিরন্তন অপ্রকাশিত সত্য কথা যা মিডিয়া প্রকাশ করতে  পারেনি । ৫ই আগস্ট সকাল বেলা যখন পুলিশ প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তার চাঁদরে ঢাকা ছিল পুরো ঢাকা শহর, শেখ হাসিনা যখন তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য বিপুল সংখ্যক গোলাবারুদ দিয়ে প্রস্তুত রেখেছিল  পুলিশ বাহিনীকে তখন ঢাকায় অবস্থানকারীরা মার্চ ফর ঢাকা এই ব্যর্থ হয়ে যায় এরই মধ্যে এই খবর পেয়ে গাজীপুর বড়বাড়ি থেকে সকাল আনুমানিক  ৮.৩০ মিনিট  সময় ১৩ থেকে ১৪ জন কে নিয়ে গণভবন এর উদ্দেশ্যে রওনা হই বড় বাড়ি থেকে এরশাদনগর পর্যন্ত যাওয়ার পর বৃষ্টি নেমে আসে একটা  নীল রঙের পলি মাথায় বেঁধে পকেটের মোবাইল ফোনটি  একটা পলিব্যাগে ভরে পকেটে রেখে একটা হুংকার দেই বাসা থেকে বের হয়েছি আজ দেশকে ফেসিবাদ মুক্ত করেই, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এবং কারাগারে বন্দি থাকা আলেম-ওলামাদের মুক্ত করেই যদি বেঁচে থাকি বাসায় ফিরবো  এতে যদি জীবনও যায় পিছু হবোনা  ইনশাআল্লাহ। কেউ না গেলে আমি একাই চল্লাম
আমার এই কথা শুনে সহযোদ্ধারা আমার পিছু পিছু স্লোগানে স্লোগানে চলতে থাকলো রাস্তার দু’ধারের মানুষকে বিজয়ের আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে হাতে পায়ে ধরে অনুরোধ করে রাজপথে নামিয়ে টঙ্গী স্টেশন রোড   যাওয়ার পর্যন্ত আমার পিছনে এক লক্ষ এর অধিক মানুষকে রাজপথে এনেছি  হঠাৎ দেখি আব্দুল্লাহপুর সেনাবাহিনী এবং পুলিশের বিশাল বেরিগেট, কাঁটাতারে সাজানো আমার গর্জন এবং রিকোয়েস্ট দুটোর সমন্বয়ে সেনাবাহিনী আমাকে সামনে আগানোর সুযোগ দিলেও একটু এগিয়ে দেখি পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলি, নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার, বলে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলে পুলিশদের পিছনে ধাওয়া করলাম পুলিশ পালিয়ে গেল সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকলাম আরো একটি বাধা পুলিশের এলাপতি গুলি সেনাবাহিনী বেড়িয়ে গেট দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে  বুক ভরা সাহস নিয়ে গিয়েগেলাম স্লোগান, হুংকার, পুলিশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে বাকবিদন্দের  পর দুই নম্বর ব্যারিকেড খুলতে সক্ষম হই bns সেন্টারে গিয়ে  সবচেয়ে বড় বাধার সম্মুখীন হই। সেনাবাহিনী কোনভাবেই ব্যারিকেট খুলতে না চাইলে এক সময় সেনাবাহিনীর পায়ে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে বলতে থাকি হয় দেশকে মুক্ত করতে গণভবনের উদ্দেশ্যে যাওয়ার সুযোগ করে দেন নয়তো মেরে ফেলেন তবুও বাংলাদেশকে  স্বৈরাচার মুক্ত করে  জননেত্রী খালেদা জিয়াকে কারা মুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ এভাবেই সেই ব্যারিগেট ভেঙ্গে গণভবনের উদ্দেশ্যে  ছুটে চলি কখনো সামনে নেতৃত্ব  দেওয়া কখনো আশেপাশের দোকানে বাড়িতে এই  লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য পানি খাবার ভিক্ষা চেয়ে নিয়ে তা আবার সবার মাঝে বিতরণ করি এভাবেই ধীরে ধীরে গণভবনের উদ্দেশ্যে গাজীপুর থেকে যাওয়া এই বিশাল জনবহর  সৃষ্টি করি।
কুড়িল পর্যনত ৫ লাখ এর অধিক মানুষ আমার ডাকে পিছে সারা দিয়েছিলো। একটি রিক্সা নিয়ে আগেই রওনা করি কয়েকজনকে নিয়ে গণভবনে গণভবনের বেরিকেট ভেঙ্গে গণভবনকে তথা  দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করি আজ জাতির কাছে প্রশ্ন  আজো কেন এই আসল তথ্য প্রকাশ পেল না  কেন কিভাবে ৫ ই আগস্ট স্বাধীনতা অর্জন হলো। আজ কিছু নামধারী কথিত জুলাই যোদ্ধা  যারা জুলাইকে নিজেদের রাজনৈতিক  পুজি করে জুলাই কে বিক্রি করতেছে  আর প্রকৃত  জুলাই যোদ্ধা যারা তাদের কোন নাম ঠিকানা নেই।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন