রোগীর স্বার্থ এবং স্বাস্থ্যখাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামারুজ্জামান চৌধুরী।
শুক্রবার (৬ মার্চ) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, সরকার জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকারবদ্ধ।
সরকারি হাসপাতাল মানুষের শেষ ভরসা। সেখানে কোনোভাবেই দালালদের দৌরাত্ম্য সহ্য করা হবে না।সচিব আরও বলেন, অনেক সময় রোগীরা হাসপাতালে প্রবেশ করার আগেই অসাধু দালালদের শিকার হন।
তারা রোগীদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠায়, ফলে আর্থিক ক্ষতি এবং সঠিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন।এই ধরনের প্রতারণা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে হাসপাতাল এলাকায় দালাল প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে।
তিনি জানিয়েছেন, প্রশাসন, পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সমন্বিতভাবে দালাল চক্র চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। কয়েকটি হাসপাতালে বিশেষ নজরদারি টিম গঠন করা হয়েছে। হাসপাতালের প্রবেশপথে নিরাপত্তা জোরদার, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং রোগীদের জন্য তথ্যকেন্দ্র চালু করা হবে।
সচিব স্পষ্ট করেছেন, দালাল চক্রের সঙ্গে জড়িত কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিভাগীয় মামলা এবং চাকরি থেকে বরখাস্তও হবে। স্বাস্থ্যখাতে সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। চিকিৎসকদের অনিয়ম ও গাফিলতিও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমি, বেগমগঞ্জ উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. হাসান খায়ের চৌধুরী, আরএমও ডা. সালেহ আহমদ সোহেলসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।


