১৮০০ টাকা বাঁচাতে ৯ বন্ধু উঠেছিলেন ট্রাকে, নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে প্রান হারালেন। উপার্জনক্ষম সন্তানদের হারিয়ে দিশেহারা বাবা-মা ও স্বজনের।
পরিবারের সঙ্গে ঈদ আনন্দে বাড়ি ফিরছিলেন একই এলাকার ৯ জন। বাসভাড়া ১৮০০ টাকা বেশি হওয়ায় উঠেছিলেন ট্রাকে। কিন্তু সেই সাশ্রয়ের চেষ্টাই যে তাদের জীবনের শে’ষ যা’ত্রা হবে, তা কে জানতো! টাঙ্গাইলের যমুনা সেতুর পূর্ব পাড়ে এক ভ’য়া’ব’হ ট্রাক দু’র্ঘ’ট’না’য় ঝ’রে গেছে ১৭ টি তাজা প্রা’ণ, যার মধ্যে ৯ জনই একই উপজেলার নওগাঁর মান্দার। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে স্ত’ব্ধ’তা আর শো’কের ছায়া।
নিহত ৯ বন্ধুর মধ্যে একজনের নাম তারেক,
তারেকের বাবা সুলতান হোসেন জানান, তারা নোয়াখালী এলাকায় ফেরি করে মানুষের ফেলে দেওয়া চুল, ভা’ঙা মোবাইল ও ছোট ছোট প্লাস্টিকের খেলনা বেচাকেনা করতো। ঈদের ছুটিতে বন্ধুবান্ধব মিলে সবাই একসঙ্গে বাড়ি আসছিলেন। বাসে ১৮০০ টাকা ভাড়া বেশি চাচ্ছিল, তাই একটু টাকা বাঁচাতে সবাই মিলে ট্রাকে উঠে। ফেনী থেকে তারা ট্রাকে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু এই সামান্য টাকার জন্য তাদের সব শে’ষ হয়ে গেল।
একই ইউনিয়নের ৯ যুবকের এমন আ’ক’স্মি’ক ও ম’র্মা’ন্তিক মৃত্যুতে ভারশোঁ ইউনিয়নসহ পুরো মান্দা উপজেলায় কা’ন্নার রোল পড়েছে। নিহতদের পরিবারে চলছে চরম আ’হা’জারি। উপার্জনক্ষম সন্তানদের হা’রি’য়ে দি’শে’হারা বাবা-মা ও স্বজনেরা।


