পল্লী জাগরণী সংঘ, ভৈরবের উদ্যোগে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রথম পর্যায় সম্পন্ন

পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে পল্লী জাগরণী সংঘ, ভৈরবের উদ্যোগে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ের কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার দুটি ইউনিয়নের ছয়টি শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়। সংগঠনের সভাপতি আব্দুল হামিদ-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সার্বিক সমন্বয় করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম। এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু ফলই দেয় না, বরং অক্সিজেন সরবরাহ, ছায়া প্রদান, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানান তারা। সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল হামিদ বলেন, “গাছ লাগানো একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা। পরিবেশ রক্ষায় আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। পল্লী জাগরণী সংঘ সবসময় জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।” সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেন, “মাসব্যাপী এ কর্মসূচির মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও জনসমাগমস্থলে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে। পাশাপাশি রোপিত গাছগুলোর পরিচর্যা নিশ্চিত করতে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করা হবে।” পল্লী জাগরণী সংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির পরবর্তী পর্যায়েও ভৈরব উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সবুজায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সংগঠনটি ভবিষ্যতেও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন