ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) আসনে এবারের নির্বাচন যেন এক জীবন্ত কিংবদন্তির প্রতি জনগণের ভালোবাসার অগ্নিপরীক্ষা। যাকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দিতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল একের পর এক মিথ্যা অপবাদ, ষড়যন্ত্র আর দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে—সেই কিংবদন্তি জননেতা সাইফুল ইসলাম ফিরোজ আজ আরও শক্তিশালী রূপে আবির্ভূত হয়েছেন। শত প্রতিকূলতার মাঝেও দাপুটে সাবেক এই ছাত্রনেতার জনপ্রিয়তার জোয়ারে এখন খড়কুটোর মতো ভেসে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে প্রতিপক্ষের সব দম্ভ।
কালীগঞ্জের সাধারণ মানুষের কাছে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ এখন আর কেবল একজন প্রার্থী নন, তিনি এই অঞ্চলের মানুষের শেষ আশ্রয়ের নাম। হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টা নসহ সর্বস্তরের মানুষের বিপদে যিনি স্বার্থ ছাড়ায় দিন-রাত এক করে পাশে দাঁড়িয়েছেন, আজ তার প্রতিদান দেওয়ার সময় এসেছে। নিজের হাতে গড়া বিশাল নেতাকর্মী বাহিনী আর দেশের সব খানে বিস্তৃত তার শুভাকাঙ্ক্ষী বলয় প্রমাণ করে দিয়েছে—পদ কেড়ে নেওয়া যায়, কিন্তু গণমানুষের হৃদয়ে গেঁথে থাকা ভালোবাসা মুছে ফেলা অসম্ভব।
মাঠে ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন এক তরুণ প্রার্থী। তবে নির্বাচনী ময়দানে এমন প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কিংবদন্তি সাইফুল ইসলাম ফিরোজকে তিনি কোনোভাবেই কোণঠাসা করতে পারছেন না; বরং সাধারণ মানুষের জোয়ার ফিরোজের দিকেই ধাবিত হচ্ছে। এরই মাঝে ভোটের পরিবেশ কলুষিত করার চেষ্টা করছে বিশেষ এক ‘লেবাসধারী’ সুযোগসন্ধানী চক্র। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এই বিশেষ মহলটি কেবল সাধারণ মানুষকে হুমকি দিয়েই ক্ষান্ত হচ্ছে না, বরং সাংবাদিক ও প্রশাসনের ওপরও খবরদারি করার চেষ্টা করছে এবং উল্টাপাল্টা মন্তব্য করে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বাজার-ঘাটে “ভোটের পর দেখে নেওয়ার” যে হুংকার তারা দিচ্ছে, তার বিপরীতে শান্তিপ্রিয় মানুষের কাছে ফিরোজ এখন এক নিরাপদ আস্থার প্রতীক। বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, রাজনৈতিক কৌশলের কারণে তিনি আজ স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে বাধ্য হলেও, খোদ তারেক রহমানের অত্যন্ত পছন্দের মানুষ হিসেবেই তিনি পরিচিত।
এই লড়াই এখন আর শুধু সাইফুল ইসলাম ফিরোজের একার নেই, এই লড়াই লড়ছেন তার অগণিত কর্মী ও সাধারণ জনতা। কিছু মহল প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে বা লেবাস ধরে বাজার-ঘাটে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করলেও জনগণ এখন সচেতন। যেখানেই ফিরোজ যাচ্ছেন, সেখানেই মানুষের বাঁধভাঙা ভিড় আর আমন্ত্রণ বলে দিচ্ছে—ঝিনাইদহের -৪ আসনের মা ও মাটি তাদের আসল সন্তানকে চিনে নিয়েছে। কোনো ষড়যন্ত্র বা রক্তচক্ষু এই গণজোয়ার দমাতে পারবে না।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কালীগঞ্জের মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে প্রমাণ করে দেবে যে, ভালোবাসার কাছে সব ষড়যন্ত্রের পরাজয় নিশ্চিত। মানুষের আস্থার এই কিংবদন্তিই কি হতে যাচ্ছেন আগামীর কর্ণধার? সেই উত্তর এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।


