দীর্ঘ সংগ্রাম, অসীম ভরসা ও দলের প্রতি অবিচল আনুগত্যের স্বীকৃতি—জাতীয় পর্যায়ে নতুন দায়িত্বে হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। রাজনীতির অঙ্গন অনেকের কাছে ক্ষমতা ও সুবিধার কেন্দ্র, কিন্তু কিছু মানুষ আছেন, যারা রাজনীতিকে গণমানুষের অধিকার আদায়ের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন। হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন সেই বিরল নেতাদের একজন।
কুমিল্লার মাটি ও মানুষের প্রতি তাঁর অবিচল ভালোবাসা, দৃঢ় নেতৃত্ব এবং দলের প্রতি অকৃত্রিম আনুগত্য তাঁকে স্থানীয় রাজনীতিতে এক আলোকবর্তিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। এটি শুধু তাঁর ব্যক্তিগত গর্ব নয়, কুমিল্লার প্রতিটি নেতা-কর্মীর জন্য এক গৌরবময় অধ্যায়।
হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিনের রাজনৈতিক জীবন রাজকীয় আরামের গল্প নয়। গণতন্ত্রের জন্য, সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি বারবার রাজপথে নেমেছেন, দমন-পীড়ন সহ্য করেছেন, কিন্তু কখনো আদর্শচ্যুত হননি। দলের ক্রান্তিলগ্নে তিনি পতাকাকে দৃঢ় হাতে ধরে রেখেছেন, কর্মীদের সংগঠিত করেছেন এবং তাঁদের মাঝে বিশ্বাস ও উদ্দীপনা বজায় রেখেছেন।
তিনি শুধু নেতা নন, বরং জনগণের আস্থার এক শক্তিশালী প্রতীক। ব্যক্তিগত স্বার্থকে কখনো প্রাধান্য দেননি; সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব করাকে নিজের ব্রত হিসেবে নিয়েছেন। তাঁর দরজা সবসময় খোলা, বিপদে-সংকটে তিনি পাশে দাঁড়ান।
আজকের মনোনয়ন কেবল আনুষ্ঠানিক পদ নয়, বরং দীর্ঘ দিনের নিষ্ঠার স্বীকৃতি। কুমিল্লার রাজনীতিতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য, এবং জাতীয় পর্যায়ে তাঁর প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা দলের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে সহায়ক হবে।
কুমিল্লার আকাশ আজ গর্বে উজ্জ্বল। বিএনপির নেতা-কর্মীরা উচ্ছ্বসিত। কারণ তাঁদের প্রিয় নেতা হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন পেয়েছেন তাঁর প্রাপ্য সম্মান। এই নতুন যাত্রায় তিনি আরও শৌর্য ও সাফল্যের সাথে এগিয়ে যাবেন—এটাই প্রতিটি জাতীয়তাবাদীর প্রত্যাশা।


