নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, কার্যনির্বাহী পরিষদের মোট ৩০টি পদের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক পদ ব্যতীত বাকি ২৯টি পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। ফলে কেবলমাত্র সাধারণ সম্পাদক পদেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আইনজীবী সমিতির সদস্যদের মতে, অতীতে একাধিক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকায় নির্বাচনকে ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হতো। প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা, মতবিনিময় ও গণসংযোগে সরগরম থাকতো পুরো এলাকা। তবে এবার শুধুমাত্র একটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকায় সে ধরনের উৎসাহ-উদ্দীপনা তুলনামূলক কম লক্ষ্য করা গেছে।
তবে সাধারণ সম্পাদক পদকে কেন্দ্র করে ভোটারদের মাঝে আগ্রহ রয়েছে। প্রার্থীরা শেষ সময় পর্যন্ত ভোটারদের সমর্থন আদায়ে প্রচার চালিয়েছেন। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।
ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে এবং বিজয়ীরা আগামী এক বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।


