যশোরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উন্নয়নে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। আজ ২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার দুপুরে যশোরের ঐতিহাসিক উলশী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সর্বস্তরের জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
অনুষ্ঠানের বিশেষ দিকসমূহ:
- প্রধান অতিথির বক্তব্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “উলশী খালের এই পুনঃখনন প্রকল্প অত্র অঞ্চলের কৃষি বিপ্লব ও পরিবেশ রক্ষায় মাইলফলক হয়ে থাকবে।”
- নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা: অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি জনাব মোঃ রেজাউল হক, পিপিএম। প্রধানমন্ত্রীর আগমনে ও অনুষ্ঠান সূচারুভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ: অনুষ্ঠান চলাকালীন প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ডিআইজি মোঃ রেজাউল হকের মধ্যে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ সালাম ও কুশল বিনিময় হয়। এই দৃশ্য উপস্থিত সুধীমহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক-এর নেতৃত্বের প্রশংসা
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মোঃ রেজাউল হকের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একজন সৎ, দক্ষ ও জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তিনি ইতোমধ্যেই ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন। বক্তারা উল্লেখ করেন যে:
- খুলনা রেঞ্জে যোগদানের পর থেকে তিনি তাঁর মানবিক আচরণ ও কর্মদক্ষতা দিয়ে পুলিশ বাহিনীকে আরও জনমুখী করে তুলেছেন।
- আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় তাঁর আপসহীন অবস্থান ও ন্যায়নিষ্ঠ নেতৃত্ব সাধারণ মানুষের মনে আস্থার সঞ্চার করেছে।
- জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে।
-
”একজন সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী আজ প্রকৃতপক্ষেই জনগণের বন্ধুতে পরিণত হয়েছে।” — অনুষ্ঠানে আগত স্থানীয় এক বিশিষ্ট নাগরিক।
সমাপ্তি
উলশী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে যশোরের কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানটি স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণে এক প্রাণবন্ত উৎসবে পরিণত হয়। পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।


