বৃহস্পতিবার,১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নলডাঙ্গায় ছড়িয়ে পরেছে-সাইলেন্ট কিলার পার্থেনিয়াম

সংস্পর্শে হতে পারে নানা রোগ। দেশে ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত আগাছা পার্থেনিয়াম-ব্যাহত হতে পারে ফসলের উৎপাদন।

দেখতে ধনেগাছের মতো। উচ্চতা দুই থেকে তিন ফুট। সবুজ পাতার ফাঁকে সাদা ফুলে আকর্ষনীয়,এই আগাছার নাম পার্থেনিয়াম। নাটোরসহ দেশের মাঠে-ঘাটে ছড়িয়ে পরেছে এই ঝোপালো গাছ।

কৃষিবিদ ও চিকিৎকরা বলেছেন,পার্থেনিয়াম একধরনের বিষাক্ত আগাছা। বিষাক্ত এই আগাছার বিস্তার রোধে এখনি নিতে হবে পদক্ষেপ। না হলে কৃষি, কৃষক,গবাধিপশু ও মানবদেহের জন্য হয়ে উঠবে ভয়ংকর। নীরবে ক্ষতি করলেও জানে না বেশির ভাগ মানুষ।

নাটোরের পতিত জমি থেকে শুরু করে কৃষি জমিতে ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের জন্য ক্ষতিকর বিষাক্ত পার্থেনিয়াম গাছ। কয়েক বছর ধরে এ বিষাক্ত উদ্ভিদটির বিস্তার নাটোর বেড়েই চলেছে। যা তা রোধে তেমন কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দেখতে অনেকটা প্রাপ্তবয়স্ক ধনে গাছের মত ছোট সাদা ফুল ও চিকন পাতা এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। কোনরকম যত্ন ছাড়াই এ আগাছা বাড়তে থাকে এবং প্রতিকুল পরিবেশে এ আগাছা বেঁচে থাকতে সক্ষম বলে জানা গেছে। উচু এবং নিচু সব ধরনের মাটিতেই জন্মায় এ উদ্ভিদ।

নাটোরের বিভিন্ন ইউনিয়নে অধিকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে পার্থেনিয়াম গাছ। রেললাইন ও রাস্তার ধারেও দেখা মিলছে বিষাক্ত উদ্ভিদটির।

কৃষি বিভাগ থেকে জানা গেছে,২০২২ সালে এই এলাকায় পার্থেনিয়ামের পরিমান কম ছিলো। তবে পার্থেনিয়াম নিধনে কৃৃষকদের নানা পরার্মশ দিচ্ছে বলে জানান কৃষিবিভাগ।

সরেজমিনের দেখা যায়,বিষাক্ত এ আগাছাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে। ফসলের ক্ষেতে একবার হয়ে গেলে তা নিধন করা খুব কঠিন হয়ে পড়ছে। কৃষি জমিতে যেকোন ফসল ফলাতে গেলে কৃষকরা এ বিষাক্ত আগাছাটির সম্মুক্ষীন হচ্ছে। যত নিধন করা হয় পুনারায় ফসলের চারা গজানোর সাথে পার্থেনিয়াম এর চারাও বেড়ে ওঠে। তাই পার্থেনিয়াম থেকে কৃষিজমি রক্ষা করতে হলে প্রয়োজন কিছু সচেতনতা ও কয়েকটি পদক্ষেপ। তা নাহলে ফসলের উন্নয়ন ব্যাহত হতে পারে।

পার্থেনিয়ামের বীজ খুবই ক্ষুদ্র ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্নভাবে। গরুর গোবর ,সেচসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন জায়গায়।
গবাদি পশু চরানোর সময় গায়ে লাগলে পশুর শরীর ফুলে যাওয়া,তীব্র জ্বর,বদহজমসহ নানা রোগে আক্রান্ত আর পশুর পেটে গেলে বিষক্রিয়া হওয়া-হওয়া-এছারাও শুধু পশুই নয়, আগাছাটি মানুষের হাতে পায়ে লাগলে চুলকে লাল হয়ে ফুলে যাওয়া,পাশাপাশি ত্বকের সমস্যা। আক্রান্ত মানুষটির ঘনঘন জ্বর,অসহ্য মাথাব্যাথাসহ নানান রোগে হতে পারে।
পার্থেনিয়াম একটি মারাত্মক ও বিষাক্ত আগাছা। এখনই উচিত সতর্ক হওয়া যেসব জায়গায় পার্থেনিয়াম গাছ দেখা যাবে সেখানে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা মাধ্যমে কৃষকদের অবহিত করে এবং এখনই থেকেই আগাছা নিধনের করা দরকার বলছেন চিকিৎসক ও কৃষিবিদরা।
নলডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা  ডা. মো. জুনাইদ হোসেন লেলীন,নলডাঙ্গা উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. পারভেজ আহমদ,উপজেলা  কৃষি অফিসার  কৃষিবিদ মোঃ সবুজ আলী জানান,দেখতে অনেকটা প্রাপ্তবয়স্ক ধনেগাছের মতো ছোট সাদা ফুল ও চিকন পাতা এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। কোন রকম যত্ন ছাড়াই এ আগাছা বাড়তে থাকে এবং প্রতিকূল পরিবেশে এ আগাছা বেঁচে থাকতে সক্ষম বলে জানা গেছে। উঁচু এবং নিচু সব ধরনের মাটিতেই জন্মায় এ উদ্ভিদ।

পার্থেনিয়ামের বীজ খুবই ক্ষুদ্র ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্নভাবে। গরুর গোবর,সেচসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন জায়গায়। গবাদি পশু চরানোর সময় গায়ে লাগলে পশুর শরীর ফুলে যাওয়া, তীব্র জ্বর, বদহজমসহ নানা রোগে আক্রান্ত আর পশুর পেটে গেলে বিষক্রিয়া হতে পারে।

এ ছাড়া কেবল পশুই নয়,আগাছাটি মানুষের হাতে পায়ে লাগলে চুলকে লাল হয়ে ফুলে যাওয়া এমনকি ত্বকের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। আক্রান্ত মানুষটির ঘন ঘন জ্বর, অসহ্য মাথা ব্যথাসহ নানা রোগে হতে পারে। পার্থেনিয়াম একটি মারাত্মক ও বিষাক্ত আগাছা। এখনই উচিত সতর্ক হওয়া যেসব জায়গায় পার্থেনিয়াম গাছ দেখা যাবে সেখানে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা মাধ্যমে কৃষকদের অবহিত করতে হবে এবং দেখা মাত্রই আগাছা নিধন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

ভক্সপপ-১ থেকে ৪

সিংকঃ ১- ডা.পারভেজ আহম-উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন,নলডাঙ্গা,নাটোর।

সিংকঃ২- মোঃ সবুজ আলী-উপজেলা কৃষি অফিসার ,নলডাঙ্গা,নাটোর।

সিংকঃ ৩- ডা. মো. জুনাইদ হোসেন লেলীন-নলডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা,নলডাঙ্গা,নাটোর।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

ধর্মপাশায় ৭ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার পদ থাকলেও ১ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দেখেন ১১০ প্রাথমিক বিদ্যালয়

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা একটি হাওর বেষ্টিত উপজেলা।যা আয়তনের দিকে অনেক