বৃহস্পতিবার,১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রামে মেয়ের চাঁদাবাজির টাকায় সংসার চালায় এক আজব পিতা ও তিন ভাই অভিযোগ বিতর্কিত উর্মি আক্তারের বিরুদ্ধে এলাকা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোড়ন সৃষ্টি প্রশাসন (নীরব)

অভিযোগ সূত্রে জানা যায় চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলাধীন পূর্ব বৈরাগ খোশাল তালুকদারের বাড়ী এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আবুল হোসেন এর মেয়ে গার্মেন্টস কর্মী উর্মি আক্তারের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রেমের ফাঁদে ফেলে ও মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে   বিকাশের মাধ্যমে চাঁদাবাজির প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার গুরুতর অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায় বিতর্কিত উর্মি আক্তারের বিরুদ্ধে।
 অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের হুমকির ভয়ে  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক যুবক জানান মিথ্যা প্রেমের ফাঁদে ফেলে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে  প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে বিকাশ নাম্বারে টাকা নেয়ার অগনিত প্রমাণ পাওয়া যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবক বলেন গত ১৪/০৫/২০২৬ ইং তারিখে সন্ধ্যা ৭ টা ৪৬ মিনিটে বিকাশ নাম্বার ০১৮৮৪৮১০০৫৭ নাম্বারে ১০২০ টাকা (নেন)
 এরপর গত
১৬ /০৫/২০২৬ ইং তারিখ বেলা ১ টা ১০ মিনিটে পার্সোনাল বিকাশ নাম্বার 01840061218 নাম্বারে ১০০০ টাকা (নেন) প্রতারক ও বিশ্বাসঘাতক উর্মি আক্তার। এরপর ওই প্রেমিক থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ার পর লাপাত্তা হয়ে যায় প্রতারক উর্মি আক্তার। মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও প্রতারক উর্মি আক্তার ওই প্রেমিকের সাথে  যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন এদিকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় মর্মাহত হতভঙ্গ  হয়ে পড়েন  ওই প্রেমিক।
এরপর একপর্যায়ে গত  ২২ মে ২০২৬ ইং তারিখে বিকাল পাঁচটা ১২ মিনিটে উর্মি আক্তারের মোবাইল নাম্বারে কল করে প্রেমিক এসময় কলটি রিসিভ করে একযুক উর্মির প্রেমিক তার পরিচয় জানতে চাইলে আপন ছোট ভাই মঈনুর বলে পরিচয় দেন তিনি।
এরপর বিকাল পাঁচটা ২৭ মিনিটে পূণরায় কল করে প্রেমিক কলটি রিসিভ করে উর্মি আক্তার পূর্বে কল রিসিভ কারীর পরিচয় জানতে চাইলে উর্মি আক্তার বলেন ওইটা আমার স্বামী।
এরপর শুরু হয় দুইজনের মধ্যে ব্যাপক তর্ক বিতর্ক এক পর্যায় উর্মি প্রেমিকের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার পায়তারা  চালায়।
এরপর গত ২৩ মে ২০২৬ ইং তারিখে উর্মি আক্তারের স্থানীয় এলাকায় অনুসন্ধান করে দেখা যায় মঈনুল ইসলাম নামে   উর্মি আক্তারের কোন ভাই নেই কিন্তু যে যুবক উর্মি আক্তারের ভাই পরিচয় দিয়েছেন তাকে ঘিরে স্থানীয়দের উদ্বেগ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে বেপরোয়া উর্মি আক্তারের প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত যুবসমাজ  কেন্দ্র করে অত্র এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন উত্তেজনা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে বিষয়টি এখনো ধোঁয়াশায় রয়ে গেলো উর্মি আক্তার কোনভাবে স্বীকার করেনি ওই যুবক, কে ছিল কিন্তু এ বিষয়ে স্থানীয়দের মনে ব্যাপক সন্দেহ জাগে কিন্তু প্রতারক চক্রের খপ্পরে পরে দিশেহারা হাহাকার একাধিক যুবক এখন নিঃস্ব। ভুক্তভোগীরা হলেন (১) খাইরুল ইসলাম (২)আবির (৩) জিসান (৪) জাবেদ (৪) রিদোয়ান (৫) নাঈম উদ্দিন এছাড়াও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক যুবক সর্বস্বান্ত হয়ে দিশেহারা হাহাকার।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা এবং স্থানীয় সমাজপতিরা এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং হতাশা প্রকাশ  করেন  এলাকা জুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার আলোড়ন চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে গত ২২ মে ২০২৬ ইং তারিখে উর্মি আক্তারের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রেমের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার বিষয়ে একাধিক গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ পায়।
এছাড়াও উর্মি আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তার বেপরোয়া তান্ডব প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার হুমকি দেন এবং সুযোগ বুঝে প্রাণে হত্যা করবে বলেও হুমকি দেন অভিযুক্ত উর্মি আক্তার।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের মেজ  ভাই সাজ্জাদ হোসেন কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন ভুক্তভোগীদের অভিযোগ গুলো তিনি আগে জানতেন না এখন বিষয় গুলো তার নজরে আসছে পারিবারিক ভাবে উর্মির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সংবাদ প্রকাশের দ্বিতীয় পর্ব প্রকাশ হওয়ার আগে কোন সমাধান না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে হতাশা প্রকাশ করেছেন নির্যাতিত ভুক্তভোগী যুবকরা  এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিরা এ বিষয়ে অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানান (তারা)
ভুক্তভোগী যুবকরা জানান উর্মি আক্তারের বিরুদ্ধে সরকার এবং প্রশাসন এখন যদি ব্যবস্থা না নেয় ভবিষ্যতে উর্মি আক্তার আরো বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে। তাকে আইনের মাধ্যমে শাস্তির আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান প্রথারিত ভুক্তভোগী যুবকরা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিতর্কিত সমালোচিত চাঁদাবাজ উর্মি আক্তার কে একাধিকবার প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এদিকে ভুক্তভোগীরা বলেন প্রতারক চক্রের সক্রিয় উর্মি আক্তার নারী হওয়ার সুবাদে আইন আদালতকে তুচ্ছ মনে করে যেনতেন আপু কর্ম করেও পার পেয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা এবং প্রতারক বিশ্বাসঘাতক চাঁদাবাজ উর্মি আক্তার কে আইনের মাধ্যমে কটুর শাস্তির দাবি জানান প্রতারিত ভুক্তভোগী যুবকরা।
এদিকে অনুসন্ধানে দেখা যায় অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের ব্যবহরীত সিম কার্ড  নাম্বার টি তার মেজ ভাই সাজ্জাদ হোসেন এর নামের এনআইডি নামে রেজিস্ট্রেশন করা এবং পার্সোনাল বিকাশ নাম্বার 01884810057, তার পিতা মোহাম্মদ আবুল হোসেন এর নামের এনআইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে অপর একটি পার্সোনাল বিকাশ নাম্বার 01840061218, এক মোবাইল ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে।
কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে বিকাশে টাকা আনার বিষয়টি জানেন না ওই মোবাইল ব্যবসায়ী।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

জয়পুরহাটের পাঁচবিবির পিয়ারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের পিয়ারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং