জুলাই-আগস্টে ভোলা জেলা বিএনপির শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে দলটির ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গোলাম নবী আলমগীরকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সম্মানজনক দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভোলা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে জেলা বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং অনেকেই জীবন দিয়েছেন। এসব ত্যাগ ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গোলাম নবী আলমগীরকে টেকনোক্রেট পদ্ধতিতে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা অথবা সংসদের উচ্চকক্ষে যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সংকটময় সময়ে গোলাম নবী আলমগীর ত্যাগী নেতাকর্মী ও শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাই তাকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সম্মানজনক দায়িত্ব প্রদান করা হলে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মনোবল আরও সুদৃঢ় হবে।
বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করলে ভোলা সদর–১ আসনে দলীয় মনোনয়ন পান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গোলাম নবী আলমগীর। পরবর্তীতে জোটগত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে আসনটি জোটের প্রার্থী আন্দালিব রহমান পার্থ–এর জন্য ছেড়ে দেওয়া হলে দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়।
বক্তারা জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর নির্দেশনা মেনে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা নিজেদের প্রার্থী না থাকা সত্ত্বেও ঐক্যবদ্ধভাবে জোটের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালান এবং বিজয় নিশ্চিত করতে কাজ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, গত ১৬–১৭ বছরে আন্দোলন–সংগ্রামে অংশ নিয়ে অসংখ্য নেতাকর্মী মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন। এসব ত্যাগের পরও রাজনৈতিকভাবে বঞ্চিত হওয়ার অনুভূতি নেতাকর্মীদের মধ্যে গভীর কষ্টের জন্ম দিয়েছে।
বক্তারা দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জেলা বিএনপির দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গোলাম নবী আলমগীরকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে একটি সম্মানজনক দায়িত্ব প্রদান করা হলে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মনোবল আরও শক্তিশালী হবে।
সংবাদ সম্মেলনে শহীদ পরিবারের সদস্যসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


