বৃহস্পতিবার,১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

‎কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বিএনপি নেতা এম এ হাসানকে ঘিরে আলোচনা

‎খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী চয়েজে  চলছে একে অপরের চুলচেরা বিশ্লেষণ, রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

‎এরই মধ্যে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নাম চলে এসেছে বিএনপি নেতা এম এ হাসান।

‎তৃণমূলের সাধারণ মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যেও তার প্রার্থীতা নিয়ে চলছে নানা চুলচেরা এসব নিকাশ।

‎স্থানীয় তথ্যসূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা কয়রার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত থাকা এমএ হাসান বর্তমানে খুলনা জেলা বিএনপির একজন সক্রিয় সদস্য।

‎জানা গেছে, তিনি ছাত্র জীবন থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে ধাপে ধাপে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক সময়ে একাধারে  তিনি ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, যুবদলের আহবায়কের মত গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

‎ফলের তৃণমূল থেকে শুরু করে দলীয় শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত তার একটি সুসংগঠিত যোগাযোগ রয়েছে।

‎স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,

‎উপকূলীয় এ অঞ্চলের রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকতে হলে মাঠ পর্যায়ে শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি এবং মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা অত্যন্ত অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই জায়গা থেকে এমএ হাসান দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে সরকারি ও রেখেছেন।

‎উপজেলা সদর ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হাসান শুধুমাত্র রাজনৈতিক কর্মকান্ডেই সীমাবদ্ধ নন বরং তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমেও এলাকায় নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন।

‎এছাড়া তিনি ধর্মীয় সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির সংস্কার সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহায়তা এবং সামাজিক সংগঠনের কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা  অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এ কারণেই অনেকে ভোটার রায় তাকে সম্ভব জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করেছেন।

‎তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের মাঠে  প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হতে পারে। কারণ এই ইউনিয়নটিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি বিএনপির মধ্যেও একাধিক আগ্রহী প্রার্থী রয়েছে ফলে দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়া অভ্যন্তরীণ সমঝোতা এবং দলীয় নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

‎নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে রাজনৈতিক জোট কৌশলগত অবস্থানের পরিবর্তন হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

‎এ বিষয়ে এমএ হাসান বলেন,  আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত, দলের জন্য কাজ করতে গিয়ে বহুবার রাজনৈতিক মামলা ও হামলার শিকার হয়েছি। তবুও দলীয় আদর্শ থেকে কখনো সুরে আসি নাই। এক্ষেত্রে দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং জনগণ পাশে থাকে তাহলে আমি কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে প্রস্তুত।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

ধর্মপাশায় ৭ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার পদ থাকলেও ১ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দেখেন ১১০ প্রাথমিক বিদ্যালয়

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা একটি হাওর বেষ্টিত উপজেলা।যা আয়তনের দিকে অনেক