
মোঃ মশিউর রহমান
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পার্বতীপুরে দিনব্যাপী গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ ও পথসভা আয়োজন করা হয়েছে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে দিনাজপুর-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী এস এম জাকারিয়া বাচ্চুর উদ্যোগে পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার ও জনবহুল এলাকাজুড়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
হলদিবাড়ী রেলগেট, পার্কের মোড়, পুরাতন বাজার ধানহাটি, থানা চত্বর, বাসস্ট্যান্ড, গুলপাড়া, ঢাকা মোড়, শহীদ মিনার এলাকা ও সবজি বাজার মোড়ে দলীয় নেতাকর্মীরা ৩১ দফা কর্মসূচি সংবলিত লিফলেট বিতরণ করেন। পাশাপাশি প্রতিটি স্থানে সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিএনপির নীতিমালা, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলের পুনর্গঠন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
পথসভায় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণও লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই নেতাকর্মীদের কাছ থেকে কর্মসূচির বিস্তারিত জানতে চান।
কর্মসূচির পুরো সময় মাঠপর্যায়ে নেতৃত্ব দেন দিনাজপুর জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও পার্বতীপুর উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মাহফিজুল ইসলাম মাসুম।
এ ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন। তাঁদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—
• ১০নং হরিরামপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শওকত মাহমুদ
• আশরাফুল ইসলাম
• এবং স্থানীয় স্তরের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
পথসভায় বক্তারা বলেন, দিনাজপুর-৫ আসনে এস এম জাকারিয়া বাচ্চু স্থানীয় রাজনীতিতে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতার জন্য ইতোমধ্যে পরিচিত হয়ে উঠেছেন।
তাঁদের মতে, রাজনৈতিক পদে না থেকেও তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সড়ক সংস্কারসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন, যা এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছে।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, এস এম জাকারিয়া বাচ্চু দীর্ঘদিন ধরে দলের আদর্শ ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। তাঁকে ঘিরে কোনো বিতর্ক, চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নেই বলেও বক্তব্যে তুলে ধরা হয়।
তাঁদের আশা— বাচ্চু মনোনয়ন পেলে এলাকায় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে এবং দল আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
গণসংযোগে স্থানীয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথোপকথনে দেখা গেছে, অনেকে ৩১ দফা কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। স্থানীয় কিছু দোকানদার ও প্রবীণ নাগরিক জানান, রাজনৈতিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
তরুণ ভোটারদের মধ্যেও কর্মসূচির বিষয়ে কৌতূহল লক্ষ করা গেছে। বিশেষ করে তরুণরা বেকারত্ব, শিক্ষাব্যবস্থা ও স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে নেতাকর্মীদের কাছে নানা প্রশ্ন করেন।
পুরো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং দিনের বিভিন্ন সময়ে নেতা-কর্মীরা জনগণের সাথে কুশল বিনিময় ও মতামত গ্রহণ করেন। নেতাকর্মীদের দাবি, এই গণসংযোগ ভবিষ্যতে বিএনপির তৃণমূলকে আরও শক্তিশালী করবে এবং জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াবে।