গোপদিঘি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স প্রাঙ্গনে কিশোরগঞ্জ–৪ (ইটনা–মিঠাইমন–অষ্টগ্রাম) আসনের এমপি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জামায়াতের আমিরকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন।আমি জামায়াতের আমিরকে চ্যালেঞ্জ করছি,ফজলুর রহমানের সঙ্গে মুখোমুখি হও, আমি যে আরবি শিক্ষায় লেখাপড়া করেছি, তিনি তা করেননি। কারণ তিনি বাংলা পড়েছেন, জাসদ করেছেন, আল্লাহ মানতেন না। অথচ আজ তিনি আমিরুল মুমিনিন হয়ে গেছেন!
শনিবার (২২ নভেম্বর) কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার গোপদিঘী ইউনিউয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স চত্বরে বলেন,আমি চ্যালেঞ্জ করলাম,উনি যদি বলতে না পারেন যে তিনি জাসদ ছাত্রলীগ করতেন না, তবে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব। আর জাসদ ছাত্রলীগ করা মানেই—৯০% আল্লাহ-রাসুলকে বিশ্বাস করে না। আর এখন তিনি আমিরুল মুমিনিন! এই সেই জামায়াত—যারা আমার ৩০ লাখ লোককে হত্যা করেছে, যারা আমার মা–বোনের ইজ্জত নষ্ট করেছে, যারা আমার সোনার বাংলা পুড়িয়ে ছারখার করেছে। ৭১ সালে আমি সেই মুক্তিযোদ্ধা, মাকে কাঁদিয়ে, বাবার রক্তচক্ষুর অপেক্ষা উপেক্ষা করে যুদ্ধ করেছি। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস পাঞ্জাবিদের বুকে গুলি করেছি,দেশ স্বাধীন করেছি। এখন কি সেই জামায়াত–রাজাকারের হাতে আমার মাথা তুলে দেব। দয়া করে আপনারাই বিচার করুন।
হিন্দু তার ধর্ম পালন করবে মুসলমান তার ধর্ম পালন করবে এটাই স্বাভাবিক। একজন মানুষের দুই হাত না থাকলে সে পূর্ণ মানুষ নয়, ঠিক তেমনি একটি জাতি শুধু মুসলমান বা শুধু হিন্দুর উপর দাঁড়িয়ে পূর্ণ হতে পারে না—দু পক্ষই থাকলে জাতি সম্পূর্ণ হয়।
তিনি বলেন, আমি যদি পার্লামেন্টে যাই,যারা বলে এই দেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়নি, রক্তের সাগর সৃষ্টি হয়নি, বরং গণ্ডগোল হয়েছিল যা ইন্ডিয়া লাগিয়েছিল—এমন সব রাজাকার, আলবদরদের দেখে নিব
গোপদিঘী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজু মিয়ার সভাপতিত্বে কর্মী সভায় উপস্থিত ছিলেন,বিশেষ অতিথি এ.এইচ.এম জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর, সভাপতি মিঠামইন উপজেলা বিএনপি। মো: আব্দুল্লাহ মিয়া,সাধারন সম্পাদক, মিঠামইন উপজেলা বিএনপি।জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা।সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতন সহ নেতৃত্বস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সঞ্চালনায় ছিলেন মো: ফয়েজ উদ্দিন,সহ-সাধারন সম্পাদক গোপদিঘি ইউনিয়ন বিএন পি।