
রায়হান হোসেন।।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর কবরস্থানের জমিসংক্রান্ত জেরে অতর্কিত হামলায় নারীসহ আহত তিনজন হয়েছে।হামলায় শরিফ (৩৫),ও তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার (৩৩)শরিফের বোন নাসরিন আক্তার(৩২) আহত হয়েছে।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) রায়পুর পৌর ০৯ নং ওয়ার্ড গোলাম রহমান সর্দার বাড়ি শালিসি দরবারে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত হামলাকারীরা হলেন, একই বাড়ির লিলি কমিশনার (৫৫) লিটন (৩০) মামুন (৩২) কবির রাব্বি জসিমসহ আরো অনেকে। এবং হামলার আগ থেকে তারা আমাদের কে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে।
এবিষয় আহত শরিফ বলেন,বিগত কয়েক বছর ধরে পূর্ব হইতে কবরস্থানের জায়গা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার শালিসি দরবার হলেও তারা কারও কথার কর্নপাত করে না। এর আগে লিটন আমার মার উপর ঘরে ঢুকে হামলা করেন। আমাদের মালিকানাধীন সম্পত্তি জোর পূর্বকভাবে জবরদখল করিয়া দীর্ঘদিন যাবত ভোগ দখল করে আসিতেছে। মালিকানাধীন সম্পত্তি আমাদের অংশ বুঝিয়ে দিতে বললে,তারা আমাদের কে আজ বা কাল বুঝিয়ে দিবে দিচ্ছি বলে কালক্ষেপণ করে আসছে।
ঘটনার দিন-তারিখ ও সময়ে সালিশি বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় জমি মাপার তখন জমি মাপার সময় আমার বোন মোবাইলে ভিডিও করার কারণে তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগের লিলি কমিশনার, বিএনপির কর্মী মামুন লিটন জসিম এরা সবাই ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার উপর আক্রমণ করেন। আমাকে টেনে হিচড়ে ঘর থেকে বের বেদম মারপিট করেন। এতে আমি আমার বোন নাসরিন আক্তার আমার ভাবি ফাতেমা আক্তার গুরুতরভাবে আহত হই।আমরা সবাই রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেে চিকিৎসার জন্য ভর্তি আছি।আহত শরিফের বোন বলেন, আওয়ামীলীগের লিলি কমিশনার কোন সালিশি দরবার মানে না।বিএনপি কর্মী মামুন বিভিন্ন সময় আমাদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছে। আমরা চাঁদা না দেওয়ার কারণে আমাদের উপর আক্রমণ করে। এর আগে আমাদের ঘর থেকে প্রায় তিন লক্ষ টাকা নিয়ে যায় মামুন লিটন। এখন আমি আমাদের পরিবার সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। আমরা আমাদের জমি জবরদখল কারীদের এবং আমার বোন ভাবির মা ও আমার উপর অতর্কিত হামলার বিচার দাবী করছি।
অভিযুক্ত লিলি কমিশনার বলেন ,কিছুদিন আগে আমি ঢাকা ছিলাম মানিক মিয়ার তৃতীয় ছেলে ফেসবুকে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায় এবং থানা একটি জমি সংক্রান্ত বৈঠকে আমি যেতে পারি না। আমার পক্ষে বাড়ির কিছু লোক যায় আমি সেই বৈঠকে রায় পেয়েছি। কবরস্থানে আমার মেয়ের কবর আছে কিছুদিন পর পর আমার মেয়ের কবর ভাঙতে যায়। ওই দিন জমি মাপার সময় শরীফের বোন মোবাইলে ভিডিও কেনো করে তাকে জিজ্ঞেস করলে। তার ভাই শরীফ আমার হাতে দা দিয়ে একটি কোপ দিয়ে দৌড় দিয়ে যাওয়ার সময় ফাঁকা একটি ভবনে সাথে ধাক্কা লেগে মাথা ফেটে যায়।
অভিযুক্ত মামুন সর্দার বলেন, এই সকল অভিযোগ
আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা।আমি তাদের কে ভিড়িও করতে নিষেধ করার কারনে আমার উপর আক্রমণ করে।
এবিষয়ে রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন,জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে হামলার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।