
মোঃ মশিউর রহমান।।
“আমার বাবার রাজনীতি রক্তে ছিল, আর আমি তা হৃদয়ে বয়ে চলেছি”—এই কথার মধ্যেই ফুটে ওঠে এক তরুণ রাজনৈতিক কর্মীর সাহসী আত্মপ্রকাশ। তিনি জামিউল ইসলাম জামু, বিএনপি'র একজন উদীয়মান নেতা, যিনি পিতার আদর্শ ও রাজনৈতিক চেতনার উত্তরাধিকার বহন করে চলেছেন পরিপূর্ণ নিষ্ঠা ও সাহসিকতায়।
বাবা থেকে ছেলের পথে: রাজনীতির উত্তরাধিকার
জামু’র পিতা ছোটবেলা থেকেই বিএনপি'র পতাকাকে বুকে ধারণ করেছেন। হামলা-মামলা, হুমকি কিংবা দমননীতি—কোনো কিছুই তাঁকে তার বিশ্বাসচ্যুত করতে পারেনি। আজ, সেই একই পথে দৃঢ় পায়ে হেঁটে চলেছেন জামিউল ইসলাম জামু।
তিনি বর্তমানে:
২০১৮ সালের নির্বাচনের পরবর্তী সময় জামু ও তার বাবার বিরুদ্ধে প্রাণনাশের পরিকল্পনা করেছিল একটি কুখ্যাত চক্র। তারা শুধু জামুদের নয়, সোনাপুকুর গ্রামসহ পার্বতীপুর থানা এবং বেলাইচণ্ডী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মাঝেও ত্রাস সৃষ্টি করে রেখেছে।
এই চক্রের বিরুদ্ধে তিনি সরাসরি অভিযোগ করেন:
ত্রাসের দোসরদের বিরুদ্ধে অবস্থান
জামু ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, কিছু মুখোশধারী, সুবিধাবাদী লোক এই ত্রাসের দোসরদের পাশে দাঁড়িয়ে, তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে এবং বর্তমান স্বৈরাচারী সরকারের স্বার্থরক্ষায় লিপ্ত হয়েছে।
প্রতিরোধের বার্তা ও ভবিষ্যতের প্রত্যয়
জামিউল ইসলাম জামু ঘোষণা দেন:
সমাপ্তি বার্তা
জামু তার বক্তব্য শেষ করেন একটি অঙ্গীকার নিয়ে—বাবার রক্তে মিশে থাকা আদর্শ ও দেশের প্রতি অঙ্গীকার থেকে তিনি কোনোদিন পিছু হটবেন না।
দিন আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদ, দিনাজপুর জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক এবং
১ নম্বর বেলাইচণ্ডী ইউনিয়ন যুবদল-এর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আদর্শের রাজনীতি ও প্রাণনাশের হুমকি
মৃত মাহাতাব উদ্দিনের ছেলে মোখলেছুর রহমান মিন্টু
মিজানুর রহমান
মুকুল
মৃত গোল্ডেনের ছেলে মঞ্জু
এইসব চিহ্নিত ব্যক্তিরা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে আসছে।
“আমরা ভয় পাই না, মাথা নত করিনি, আর করবো না। আমি হয়তো কাউকে ক্ষমা করে দিতে পারি, কিন্তু এই মাটি, এই জনগণ, এই ইতিহাস কিন্তু ভুলবে না।”
তিনি আরও বলেন, আইন হয়তো আজ চুপ, কিন্তু ন্যায়ের সময় এলে তা গর্জে উঠবে। তাঁর বিশ্বাস, এই দেশের মানুষ একদিন জেগে উঠবেই—সত্য, গণতন্ত্র এবং মুক্ত চিন্তার পক্ষে।