দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। শনিবার দুপুরে মাদারীপুরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এই মন্তব্য করেন।
উপদেষ্টা এবারের নির্বাচনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, স্বাধীনতার পর এটি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে দুটি বিশেষ দিক রয়েছে:
পোস্টাল ব্যালট: প্রথমবারের মতো প্রবাসীরা বিদেশ থেকেই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন।
গণভোট: একইসাথে দেশে গণভোটও অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা রাষ্ট্রের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
গণতন্ত্র রক্ষায় 'হ্যাঁ' ভোটের আহ্বান
আইন উপদেষ্টা বলেন, “মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার প্রবল আকাঙ্ক্ষা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও আইনের শাসনকে আরও শক্তিশালী ও সুসংহত করতে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।” তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
"আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর। এটি কেবল একটি ভোট নয়, বরং দেশের গণতন্ত্রকে পুনরায় সচল করার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ।"
— ড. আসিফ নজরুল, আইন উপদেষ্টা।
ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন ও সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন: মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রোকনুজ্জামান জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর আলম পুলিশ সুপার মো. এহতেশামুল হক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আল নোমান
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাবসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।