আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়ছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দিনাজপুর -৬ আসনে সরগরম নির্বাচনী মাঠ। নির্বাচনী প্রচারণা ও জনসংযোগে পিছিয়ে নেই দিনাজপুর ৬ আসনের প্রার্থীরা। দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মাঠে রয়েছেন প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী। তাঁরা হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন অপর দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরা সদস্য ও সাবেক জেলা আমির মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
নির্বাচনী আচরণবিধি মেনেই এ দুই প্রার্থী মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।
নবাবগঞ্জ, বিরামপুর, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট এ চার উপজেলা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর- ৬ আসন। দীর্ঘ ৩০ বছর পর বিএনপি এ আসনে নির্বাচন মাঠে নেমেছে বিএনপি। জামায়াতে ইসলামীও মরিয়া আসনটি তাঁদের পক্ষে নিতে। কারণ জামায়াতে ইসলামী এ আসন থেকে বেশ কয়েকবার জয় লাভ করেছেন। বাংলাদেশ ইসলামি আন্দোলন, বাসদ ও জাতীয় পার্টির কার্যক্রম তেমন চোখে না পড়লেও কাজ শুরু করছেন নির্বাচনের মাঠে।
দিনাজপু -৬ আসন থেকে বিএনপি ও জামায়াত সহ আরো ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তারা হলেন জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী এ্যাডভোকেট মোঃ রেজাউল ইসলাম
লাঙ্গল প্রতীকে, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল মনোনীত প্রার্থী মোঃ আবদুল হাকিম মুই প্রতীকে,বাংলাদেশ ইসলামি আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী নুরে আলম সিদ্দিকী হাতপাখা প্রতীকে,
স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ আব্দুল্লাহ ফুটবল প্রতীকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী
শাহনেওয়াজ ফিরোজ শুভ শাহ ঘোড়া প্রতীকে নির্বাচন করবে।
দীর্ঘদিন পর এই নির্বাচনে মানুষ ভোটের অধিকার ফিরে পাবে বলে মনে করেন দিনাজপুর -৬ আসনের সচেতন মহল ও সুশীল সমাজ।
এদিকে দিনাজপুর - ৬ আসনে জয়ের ব্যাপারে সমানে সমান আশাবাদী বিএনপি ও জামায়াত।
বিএনপি ও জামায়াতের নেতা - কর্মীরা বলেন, ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে আমাদের জয় নিশ্চিত।
সাধারণ নাগরিকদের সকল নাগরিক সুবিধা, শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি,সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়া,রাস্তা ঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়ন নিশ্চিতের আশ্বাস দিচ্ছেন অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ও মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম।