
মোঃ মানসুরুল হক
দলীয় শৃঙ্খলা,নীতি,আদর্শ ও গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার দায়ে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য এবং সাবেক বিভাগীয় স্পেশাল জর্জ মোঃ রেজাউল করিম খান চুন্নু ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মজিবুর রহমান ইকবালকে বহিষ্কার করেছেন দলের হাইকমান্ড। বুধবার(২১ জানুয়ারী) রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবীর রিজভীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
উল্লেখ্য,সদ্য বহিষ্কৃত ওই হেভিওয়েট দুই প্রার্থী যথাক্রমে রেজাউল করিম খান চুন্নু কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে মোরগ প্রতিক নিয়ে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন এবং শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ- ৫(নিকলি-বাজিতপুর) আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে সরব রয়েছেন।
, এদিকে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করা প্রসঙ্গে কিশোরগঞ্জ -১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ রেজাউল করিম খান চুন্নু বলেন, বিগত ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি তথা ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে ফ্যাসিস্ট হাসিনার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরেও ঢাকা বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছিলেন তিনি।তাই এবারও আশাবাদী ছিলেন, কিন্তু পাননি। তবে আজ যদি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বেঁচে থাকতেন, তবে ধানের শীষ প্রতীকটি আমাকে ছাড়া কাউকেই তিনি দিতেন না বলে আশাবাদী ছিলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, একটি কুচক্রী মহল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ভুল তথ্য ও ব্যাখ্যা দিয়ে আমাকে বাদ দিয়ে একজন অযোগ্য ব্যক্তির হাতে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দিয়ে জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষাকে ভুলণ্ঠিত করেছেন। আমি আগেও যেমন বিএনপিতে ছিলাম, বর্তমানেও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব উল্লেখ করে বলেন, জনগণের অব্যাহত চাপের মুখে তাদের ইচ্ছার কথা চিন্তা করে তিনি নির্বাচনী মাঠে লড়াই করে যাবেন এবং সকলের সহযোগিতা, দোয়া ও ভালোবাসায় প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী থেকে লক্ষাধিক ভোট বেশি পেয়ে এ আসন থেকে বিজয়ী হবেন। অপরদিকে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ধানের শীষের নাগাল না পেলেও জনগণের ভালবাসায় সিক্ত হয়েছেন। তাই তিনিও জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। তবে প্রার্থীদের প্রত্যাশা যাই হোক জয় পরাজয়ের রেজাল্ট দেখতে অপেক্ষা করতে হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।