আইজিপি আরও বলেন, ‘বিগত ১৫ বছরে পুলিশ বাহিনীকে দলীয় পুলিশ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছিল। আমরা অনেক গণবিরোধী কাজ করেছি। এগুলো থেকে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশ পুলিশকে আবার স্বমহিমায় দাঁড় করানোর চেষ্টা করছি।’

তিনি জানান, সারাদেশে বিশেষ অভিযান চলছে। সেই অভিযানে শত শত না হলেও দুই একটা করে পুলিশের হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। এর বাইরে অনেক অবৈধ অস্ত্র আসছে, সেগুলোও ধরা হচ্ছে। আগামী নির্বাচনে সারাদেশে ২৪ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এসব কেন্দ্রে সবকিছু তদারকি করতে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের বডিঅন ক্যামেরা দেওয়া হবে। পুলিশ বাধাহীনভাবে কাজ করতে না পারলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

বাহারুল আলম বলেন, ‘জুলাই-আগস্ট মাসে অসংখ্য আন্দোলনকারী প্রাণ দিয়েছেন, শহীদ হয়েছেন। পুলিশের লোভী, দলকানা কিছু কর্মকর্তা ও সদস্যের কারণে আমাদের সবার ওপরে এসব ঘটনার দায়ভার এসেছে। গত এক বছরে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় শতভাগ সফল হয়েছি বলবো না, তবে আমাদের চেষ্টার কোনো কমতি নেই।’

শতভাগ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না জানিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক বলেন, ‘আমাদের দেশে প্রতি বছরই সাড়ে তিন থেকে চার হাজার হত্যা সংঘটিত হয়ে থাকে। তবুও আমাদের অবশ্যই চেষ্টা থাকবে একজন লোকও যেন মারা না যায়। সেটিই আমাদের লক্ষ্য। ওসমান হাদির ঘটনা, মাজারে যাওয়ার সময় হামলা, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলাসহ নানান ঘটনা ঘটেছে। সেই ঘটনার পর মামলা হয়েছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’