ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
শেরপুর (২) নকলা নালিতাবাড়ী সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির দলীয় মনোনয়ন চেয়ে , দুই জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন,
ইন্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী ও মোঃ ইলিয়াস খাঁন।
গত ৩ রা জানুয়ারি যাচাই বাছাইয়ে ইলিয়াস খাঁনের মনোনয়নপত্রে দলীয় সমথর্ন মনোনীত পেপার না থাকায়,
বাতিল করেন জেলা রিটার্নিংকর্মকর্তা,।
অপর জন ইন্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরীর
দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় প্রথমে স্থগিত করে সময় বেঁধে দেন পাঁচ টা পর্যন্ত, সময় মত নাগরিকত্ব বাতিলের সঠিক প্রমাণ জমা না দিতে পারায় বাতিল হয় মনোনয়ন ।
নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী , প্রার্থীতা ফিরে পেতে আপিলের সুযোগ রয়েছে ৯ জানুয়ারী সময় ৫ টা পর্যন্ত, যদি এর আগে নাগরিকত্ব বাতিলের একসেপ্ট কপি সহ আপিল করার সুযোগ না পায়, তা হলে শেরপুর (২) আসনটি বিএনপির প্রার্থী শূন্যতা হতে পারে,।
বিগত দিন গুলোতে শেরপুর (২) সংসদীয় আসন ১৪৪ আসন টি, ভিআইপি বলে ঘোষণা করেছে, পর পর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রী, ও হুইপ সহ, এই আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ।
দলের হাইকমান্ট কি এই আসনটি বিএনপির প্রার্থী শূণ্য রাখবেন!
যদি তা না হয়, নির্বাচনী বিধি মোতাবেক আপিলের সময় সীমা অনুযায়ী উভয় প্রার্থীকে আপিল করা উচিৎ বলে মনে করেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞগন।
এক জন যদি নাগরিকত্ব বাতিল কপি, সাবমিট না করতে পারে তাহলে প্রার্থীতা বাদ হবে,, অপর জন দলীয় মনোনীত পেপার জমা দিয়ে আপিলের মাধ্যমে ফিরে পেতে পারেন প্রার্থীতা । না হলে প্রার্থী শূন্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে ।
এখন একমাত্র ভরসা বিএনপির অপর আরেক প্রার্থী, সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুব দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি,
জনাব মোঃ ইলিয়াস খাঁন । বলে ধারণা করছেন সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞগন ।