মোহাম্মদ আবু মুছা
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভার্সিটির অন্য মানুষের সাথে ঝামেলাকে কেন্দ্র করে অহেতুকভাবে পরপর দুই দিন নাহিদের ওপর হা/ম/লা চালানো হয়।
প্রথম দফায় গত ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কলাতলা বাজার এলাকায় নাহিদের ওপর হা/ম/লা চালানো হয়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় সে সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে পরদিন ৩১ ডিসেম্বর বিকেল ৪টার দিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সামনে নির্মাণাধীন একটি ভবনের নিচতলায় মাহিনের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল নাহিদের ওপর পুনরায় হা/ম/লা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হামলাকারীরা প্রথমে নাহিদকে হু/ম/কি দেয়। এরপর স/ঙ্গে থাকা ক্রিকেট খেলার ব্যাট দিয়ে তার মাথায় একাধিকবার আ/ঘা/ত করা হয়। গুরুতর আ/হ/ত অবস্থায় নাহিদ অচেতন হয়ে পড়লে হা/মলা/কা/রীরা তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় কর ভবনের এলাকা থেকে নাহিদকে উ/দ্ধা/র করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে তিনি মৃত্যু/ব/র/ণ করেন।
এ ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে মাহিনকে মূল আ/সামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া হিরা, স্বাধীন, নাহিদ, এম আই নাহিদ, অমি, নাজমু, দিগন্ত, ছোটন ওরফে তুসার, শাওন, ইমনসহ আরও অনেকে হাম/লা/য় জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
নি/হ/তের ছোট ভাই ফাহিম খন্দকার বলেন,
“আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হ/ত্যা করা হয়েছে। আমার ইউনিভার্সিটিতে যে ঝামেলা হয়েছিল, সেটার সঙ্গে আমি জড়িত ছিলাম না। আমার ভাইকে মাথায় আ/ঘা/ত করে পিটিয়ে হ/ত্যা করা হয়েছে। আমি এই হত্যা/কা/ণ্ডের সুষ্ঠু বি/চার চাই।”
পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার স/ঙ্গে স/ঙ্গে অ/ভি?যান চালিয়ে চারজনকে মাহিন, নাহিদ , ছোটন, হিরা কে আ/ট/ক করা হয়েছে। আজ হ/ত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে। বাকি আসা/মিদের গ্রে/প্তা/রের চে/ষ্টা চলছে।”