প্রিন্ট এর তারিখঃ Jul 14, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Dec 25, 2025 ইং
কুয়াশায় রৌমারী - চিলমারী নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার

আনোয়ারুল ইসলাম জুয়েল, চিলমারী, ( কুড়িগ্রাম ) প্রতিনিধিঃ
নৌকায় চিলমারী নৌ-বন্দরের রমনা নৌ-ঘাট থেকে বন্যা, খরা ও শীত ত্রি-কালেই চলছে ব্রহ্মপুত্র নদে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঝুকিপূর্ণ পারাপার। নদের পশ্চিমে চিলমারী উপজেলা ও পূর্বপারের রৌমারী ও চর রাজীবপুরের মানুষের মাঝে দীর্ঘ দিনের নদী পারাপারের নৌকা ডুবির তিক্ত অভিজ্ঞতা থাকলেও প্রয়োজনের তাগিদে মুখবুজে মৃত্যুকেও মেনে নিয়ে যাতায়াত অব্যাহত রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। বুধবার চিলমারী থেকে রৌমারী ঘাট পর্যন্ত অনুসন্ধান মূলক পারাপার করে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ লক্ষ্য করা গেছে। চিলমারী থেকে বেলা ১ টায় রৌমারীর কুটিরচরের উদ্দ্যেশে ছেড়ে যাওয়া নৌকাটিতে যাত্রাকালে দেখা গেছে নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী। যাত্রীদের অনেকেই ছইয়ের নীচে ও উপরে গাদাগাদি করে বসে থাকলেও অসংখ্য যাত্রী ছইয়ের বাইরে এবং গলুইয়ে দাড়িয়ে থেকে প্রায় আড়াই ঘন্টা সময় অতিবাহিত করেছেন। এমতাঃবস্থায় প্রচন্ড ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় নাব্যতা সংকটে মাঝে মধ্যেই চরে নৌকা ঠেকে যাওয়ার বিড়ম্বনাও ছিলো অনেক কষ্টের। যাত্রীদের মধ্যে রৌমারী কুটির চর এলাকার মহির আলী জানান, পূর্ব পারের মানুষের নদী পাড়ি দিয়ে চিলমারী,কুড়িগ্রাম, রংপুর সহ উত্তারাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় লেখাপড়া, চিকিৎসা করা এবং জরুরী কাজের জন্য যাতায়াতে কষ্টের শেষ নেই। এ ছাড়াও জন প্রতি ১০০/- টাকা ভাড়ায় যত সংখ্যক যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করার কথা তার চেয়েও বর্তমানে দ্বিগুন যাত্রী সাধারন নিয়ে নৌকা চলাচল করছে। নৌকা চলাকালীন ব্রহ্মপুত্র নদের চর গুলোতেও প্রচন্ড কুয়াশায় মানুষ- জনকে সীমিত আকারে চলাফেরা করতে দেখা গেছে। রৌমারী থেকে ফেরার পথে জানা গেলো দুপুর ১ টার নৌকা প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ২ টা ৩০ মিনিটে চলাচল করে। এবিষয়ে নৌকার মাঝি ও ঘাটের ইজারাদারগন জানান, বিভিন্ন অফিসের শুক্র ও শনিবার দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় তাদের পারাপারের সুবিধার্তে বৃহস্পতিবার সময়টা একটু বাড়ানো হয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে নদে ঝুকিপূর্ণ নৌকা পারাপারের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, এসময় শুস্ক মৌসূম নদীতে কম পানি থাকায় ঝুকি কম বলে এড়িয়েদেন। অথচ অনেক নৌকা মালিক এ বিষয়ে ঘাট কর্তৃপক্ষের স্বার্থপরতার ও উদাসীনতার অভিযোগ করে বলেন, ইচ্ছা করলেই তারা নিয়ম মেনে যাত্রীদের পারাপারের সুবিধার্তে একাধিক নৌকা চলাচলে বাধ্য করাতে পারেন। এবিষয়ে নৌকার মালিক ও যাত্রী সাধারন বিআইডব্লিউটিএ এবং উপজেলা নির্বাহী অফসার সবুজ কুমার বসাক সহ সরকারের উর্ধ্বতন মহলের জোরালো হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্বত্ব © দৈনিক জনতার খবর ২০২৫ | ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।