
শহীদুজ্জামান শুভ
কিশোরগঞ্জ-৩ (তাড়াইল-করিমগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা। শুক্রবার সকালে জেলা শহরের হোটেল শেরাটন কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
লিখিত বক্তব্যে এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা বলেন, গত ৩ নভেম্বর ঘোষিত প্রাথমিক মনোনয়ন তালিকায় কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে দলের প্রার্থী হিসেবে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুকের নাম প্রকাশ করা হয়। এরপর ৬ নভেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে আসেন এবং ছয়দিন ঢাকায় অবস্থান শেষে ১২ নভেম্বর করিমগঞ্জের নিজ বাড়িতে আসেন। তিনদিন অবস্থান করে তিনি আবার ঢাকায় ফিরে যান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, এলাকায় স্বল্পসময়ের অবস্থান ও কোনো রাজনৈতিক তৎপরতা না থাকায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা ব্যাপকভাবে হতাশ। তিনি দাবি করেন—নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাতে অনেকেই সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর শারীরিক, মানসিক ও স্মৃতিশক্তিজনিত দুর্বলতা লক্ষ্য করেছেন। তার ভাষ্য—এই পরিস্থিতিতে তাকে চূড়ান্ত প্রার্থী করা হলে নির্বাচনী মাঠে বিপর্যয় তৈরি হতে পারে, যা বিএনপির ভোট কমিয়ে পরাজয়ের ঝুঁকি বাড়াবে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণার এক মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ড. ওসমান ফারুক এলাকার কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নেননি। এতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে এবং সর্বত্রই প্রার্থী পরিবর্তনের দাবির সুর আরও জোরালো হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা নিজেকে দলীয় মনোনয়নের জন্য যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য দাবি করে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে করিমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফীউজ্জামান শফীসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।