
এসপি বলেন, সিলেট প্রবাসীবহুল এলাকা হওয়ায় প্রবাসীরা দেশে অবস্থানকালে যেন নিরাপদে সময় কাটাতে পারেন, পুলিশ তা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিনি সর্বদা সচেষ্ট থাকার কথা জানান। কোনো সাংবাদিক হয়রানিমূলক মামলার শিকার হলে তদন্তে অপরাধ প্রমাণ না পেলে তার নাম বাদ দেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাইবার অপরাধ, অনলাইন জুয়া, আর্থিক প্রতারণা ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে জোরদার অভিযান চলবে জানিয়ে এসপি বলেন, “সাইবার অপরাধ এখন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব প্রতিরোধে পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা নেবে।”
সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সিলেট সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় এসব অপরাধ রোধে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হবে।
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি বলেন, “নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়, সে পরিবেশ নিশ্চিত করতে সকলের সহযোগিতায় কাজ করবো।”
শীতকালে অপরাধ বাড়ার প্রবণতার কথা উল্লেখ করে এসপি জানান, জেলায় ৩০টি চেকপোস্ট ও ৪৬টি মোবাইল টিমের টহল জোরদার করা হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় সিলেট প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকরা সীমান্ত হত্যা, হয়রানিমূলক মামলা, পুলিশের ঘুষ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।
গত ২৯ নভেম্বর সিলেটের দায়িত্ব নেন এসপি আখতার উল আলম। যোগদানের পর এটাই সাংবাদিকদের সঙ্গে তার প্রথম মতবিনিময়।