
স্থাপিত এ কেন্দ্রের নির্মাণকাজ চলমান। বৃহস্পতিবার ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন।
দুই দিনের সফরে পুতিন বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছালে বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত
জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সফরকালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং জ্বালানি খাত নিয়ে বৈঠক হয়। শুক্রবার রাতে সফর শেষে ভারত ছাড়েন
রুশ প্রেসিডেন্ট।
মোদির সঙ্গে বৈঠক শেষে পুতিন জানান, কুণ্ডনকুলম বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট ছয়টি ইউনিট পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি ইতোমধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত রয়েছে এবং বাকি
চারটির কাজ চলছে। কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে ভারতের পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
চলতি বছরের শুরুতে ভারত ঘোষণা দেয়, তারা ২০৭০ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বর্তমানে যেটি দেশের মোট
সক্ষমতার প্রায় দশ গুণের সমান। এই লক্ষ্য অর্জনে ছোট আকারের রিঅ্যাক্টরগুলো বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে দেশটির সংশ্লিষ্ট মহল।