
মো কামাল হোসেন
শাহরাস্তির প্রতিটি কোণে জেগে উঠছে এক উৎসবের মেজাজ। ১৪ ডিসেম্বর শহীদ
বুদ্ধিজীবী দিবস এবং ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি আজই শুরু হল শাহরাস্তিতে।
৩ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া হোসেন এর নেতৃত্বে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার কক্ষ যেন এক জীবন্ত মানচিত্র—শাহরাস্তির সমস্ত নেতৃত্ব, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, যুবক, সাংবাদিক, সমাজসেবী এবং ইউনিয়ন চেয়ারম্যানরা এক ছাদের তলে জড়ো হয়েছেন।
উপস্থিত ছিলেন:
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিল্লোল চাকমা
থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল বাসার পিপিএম বার
প্রাণিসম্পদ ও চিকিৎসা কর্মকর্তারা ডাঃ মাকসুদ আলম, ডাঃ সরোয়ার আলম
উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম, মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল সাদাফ
মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ খান, আইসিটি অফিসার মোহাম্মদ শাহজাহান
যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ সামসুল আমিন, পল্লী বিদ্যুৎ প্রতিনিধি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন শামস,
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার মোঃ শাহজাহান পাটোয়ারী। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা এবং ইউনিয়ন চেয়ারম্যানগণ।
সভায় আলোচনা হল কিভাবে এই দুই গুরুত্বপূর্ণ দিনকে মর্যাদাপূর্ণভাবে উদযাপন করা যায়। প্রতিটি ইউনিয়ন, প্রতিটি স্কুল ও কলেজ, এমনকি স্থানীয় গণমাধ্যম পর্যন্ত একসাথে পরিকল্পনা করছে অনুষ্ঠানগুলোকে স্মরণীয় করার জন্য।
রাজিয়া হোসেন বলেন, “বিজয় দিবস শুধু ইতিহাস নয়, এটি আমাদের একতার প্রতীক।
সবাই মিলে উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত ও শিক্ষামূলক করে তোলার চেষ্টা করছি।”
সভা শেষে উপস্থিতরা প্রতিশ্রুতি নেন—প্রতি পদক্ষেপ, প্রতিটি অনুষ্ঠান, প্রতিটি আলো-সাজানো রাস্তাই হবে শহরের বীরত্ব ও ঐতিহ্যের সাক্ষ্য।
শাহরাস্তি আজ যেমন প্রস্তুতিমূলক সভায় একত্রিত হল, তেমনই ১৬ ডিসেম্বর শহরটিকে ভরিয়ে তুলবে আনন্দ, স্মরণ, এবং ইতিহাসের ছোঁয়া।