প্রিন্ট এর তারিখঃ Mar 2, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Dec 3, 2025 ইং
ইউপি সদস্যের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার

আনোয়ারুল ইসলাম জুয়েল
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে তিন বছর আগের টিআর, কাবিটা ও কাবিখা প্রকল্পের কাজ না করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আব্দূস সাত্তার। চিলমারী উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল সাত্তার এর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলে ওই ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ সম্প্রতি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন অফিসে অভিযোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের ফেইচকার চর এলাকায় রহিমের ছ-মিল হতে সাহেব আলীর ভিটা পর্যন্ত রাস্তাটি মেরামতের জন্য ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে একই রাস্তার নাম পাল্টিয়ে সংস্কারের জন্য ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। মগরাকুরা আকন্দ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের জন্য ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও কোন কাজ করা হয়নি।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য আব্দুল সাত্তার জানান, রাস্তার কাজ আমি করেছি। মগড়াকুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বরাদ্দ থেকে তৎকালীন টিএনও স্যার এবং পিআইও স্যার আমাকে ৩০ ট্রাক মাটি কাটতে বলেছিলেন। সেখানে আমি ৫৯ ট্রাক মাটি কাটায় আমাকে বকাঝকা করে কম বিল দিয়েছেন। এতে আমার পকেট থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরো জানান, বিগত পতিত সরকারের মদদপূষ্ট গুটি কয়েক স্বার্থপর লোক আমার সূনাম ক্ষূন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি দাবী করেন, এ বছরের গ্রামীন অবকাঠামে সহ অন্যান্য কাজে যথারীতি সঠিক তদারকি শেষে প্রশাসন বীল প্রদান করেছেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার সোহেল রহমান জানান, কাজ বুঝিয়ে নিয়ে বিল দিয়েছি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে।
স্বত্ব © দৈনিক জনতার খবর ২০২৫ | ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।