জামালপুর জেলা কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৪-এর পুরস্কার প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গত শুক্রবার (৯ মে ২০২৫) জামালপুর শহরের সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ অডিটোরিয়ামে প্রায় ৬ শতাধিক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিদের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, গত বছর ২০ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ শুক্রবার সকাল ৯ অনুষ্ঠিত হয় জামালপুর জেলার সকল উপজেলায় একযোগে এই মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণী থেকে দ্বাদশ পর্যন্ত ছাত্র ছাত্রী অংশ গ্রহণ করে। প্রায় ৩,০০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে বাছাইকৃত ২১৪ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়।
বৃত্তি প্রাপ্তদের মধ্যে
ট্যালেন্টপুল: ১০ জন
সাধারণ গ্রেড: ১৩৭ জন
বিশেষ গ্রেড: ৫৭ জন
পাঠ প্রতিযোগিতা: ১০ জন শিক্ষার্থী
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ জনাব হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, “বর্তমান সময়ে আমাদের প্রয়োজন যোগ্য মানুষ। নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ করে সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে হবে। কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরাম এই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।”
কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিচালক আমিরুল ইসলাম বলেন, “এই মেধাবৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এই কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।”
কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠপোষক বলেন, “এই ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করে, যা ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত সহায়ক।”
বিশেষ অতিথি এডিসি জোগরা সুলতানা যুথী বলেন, “শিক্ষার্থীদের মেধা ও নৈতিকতা বিকাশে কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
এডভোকেট আব্দুল আওয়াল বলেন, “এই মেধাবৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং তাদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করে।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক এবং সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসাদুল ইসলাম ও আবু সায়েম।
অনেকেই মনে করছেন, এই আয়োজন শুধু পুরস্কার বিতরণ নয়—বরং এটি শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধা, নৈতিকতা ও নেতৃত্ব বিকাশের একটি অনুপ্রেরণামূলক যাত্রা।